Saturday, 28 March, 2026
28 March
HomeকলকাতাECI: রাত সাড়ে ১১টার পর ২-য় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের

ECI: রাত সাড়ে ১১টার পর ২-য় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের

তবে এখনও কত নামের নিষ্পত্তির তালিকা বার হয়েছে, সেই সংখ্যা কমিশনের তরফে জানানো হয়নি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর- এর  দ্বিতীয় অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। রাতে সাড়ে এগারোটার পর দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন।  তবে এখনও কত নামের নিষ্পত্তির তালিকা বার হয়েছে, সেই সংখ্যা কমিশনের তরফে জানানো হয়নি। কত নাম বাদ পড়েছে সেই সংখ্যাও জানা যায়নি।

গত ২৩ মার্চ প্রথম অতিরিক্ত তালিকা বেরিয়েছিল রাত ১২টা বাজার কয়েক মিনিট আগে। ‘মধ্যরাতে’ তালিকা প্রকাশ নিয়ে কমিশনকে নিশানা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবার খানিকটা সেরকমই হল। তবে এবারে যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনও পর্যন্ত নেই।

https://voters.eci.gov.in/download-eroll?stateCode=S25 -এই লিঙ্কে ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে নাম আছে কিনা দেখতে পাবেন ভোটাররা।

শুক্রবার সন্ধ্যাতেই CEO মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছিলেন, বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিচারকেরা যা তথ্য দিয়েছেন, তা ‘প্রসেস’ করে প্রকাশ করা হবে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা।  সেক্ষেত্রে ঘণ্টা পাঁচেক সময় লেগে যেতে পারে বলে আগেই আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু রাত সাড়ে এগারোটার পর যে তালিকা দেখা যাচ্ছে, তাতে কেবল ৯ জনের নাম! এন্টালি বিধানসভার উল্লেখ।  কলামে উল্লেখ, পুরুষ ৬, মহিলা ৩ জন।

আরও পড়ুনঃ রাজ্য জুড়ে ঝড়বৃষ্টি! মমতার পর অমিত শাহের বিমানও চক্কর কাটল কলকাতার আকাশে

৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তখন বিবেচনাধীন ভোটার ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। প্রথম অতিরিক্ত তালিকায় কত নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সেখান থেকে কত জন ভোটার যোগ হয়েছেন, তা জানায়নি কমিশন। তবে জানা যাচ্ছে, দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৭৬ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। এদিকে, এদিনই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লেখেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এসআইআর-এর অমীমাংসিত নামের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের অনুরোধ জানান তিনি। চিঠির বক্তব্য,  শোনা যাচ্ছে এই প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত বিচারকরা ২৭ লক্ষ মীমাংসা করেছেন। তাতে ৪০ শতাংশের মতো নাম বাদ গিয়েছে। কিন্তু কোন ডিটেইল নেই এ বিষয়ে, যাতে নির্বাচন কমিশনকে তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি, সেবিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।

নাম বাদ গেলে করণীয় কী?

যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন। প্রতিকারের জন্য ২৩টি জেলার জন্য মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় থাকছেন এক জন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।

আবেদন পদ্ধতি: অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে। অফলাইনের ক্ষেত্রে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরে আবেদন করা যাবে। অনলাইনের ক্ষেত্রে ইসিআই নেট অ্যাপ বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে যথাযোগ্য নথিপত্র দিয়ে আপিল করা সম্ভব।

রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ট্রাইব্যুনাল অফিসের পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করেছে। এই ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা পড়বে হাইকোর্টে। আদালতের নিযুক্ত পর্যবেক্ষক ওই অফিসগুলি পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করলে তবেই ট্রাইব্যুনাল কাজ শুরু করবে। সমস্ত আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ট্রাইব্যুনাল বহাল থাকবে।

আরও পড়ুনঃ ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ জবাব! পাকিস্তানকে চরম শিক্ষা ইরানের

নাম বাদ পড়লে কতদিনের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন ভোটাররা?

সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশ মেনে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের ১৫ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানাতে হবে।

২৩ মার্চ প্রকাশিত তালিকার ক্ষেত্রে এই সময়সীমা দাঁড়াচ্ছে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে পরবর্তী তালিকার ক্ষেত্রেও। অর্থাৎ আজ যে নতুন তালিকা প্রকাশিত হবে, তাতে যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁরা ১১ এপ্রিলের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন।

অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল নিয়ে কী জানিয়েছে কমিশন?

জানা গিয়েছিল, রাজ্যের তরফে অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠনের চারটি সম্ভাব্য জায়গার প্রস্তাব দেওয়া হলেও নিউটাউনের জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমিতেই ট্রাইবুনাল গড়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। সেখানে কতগুলি ট্রাইবুনাল বসানো যাবে, তা খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে যাওয়ার কথা ছিল কলকাতা হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং সিইও দফতরের আধিকারিকদের। সেই প্রসঙ্গে মনোজ আগরওয়াল জানান, ”ট্রাইব্যুনাল নিয়ে লিস্ট এসে গেছে। কোথায় হবে সেটা জুডিশিয়াল একাডেমি দেখা হচ্ছে। আজ পরিদর্শন হয়েছে, রিপোর্টও দেওয়া হয়েছে। এবার হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত নেবে। সফটওয়্যার রেডিই আছে কমিশনের।”

সব ঠিক থাকলে এক বা দুদিনের মধ্যে সমস্ত প্রক্রিয়া চালু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তবে, একটাই জায়গা ঠিক হবে। রঘুনাথগঞ্জ নিয়ে ডিজিপি-এর কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। তারপর বিস্তারিত জানানো হবে কমিশনের তরফে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন