spot_img
Monday, 2 March, 2026
2 March
spot_img
Homeআন্তর্জাতিক নিউজUSA: পুতিন ‘বন্দি’ ট্রাম্পের হাতে! রুশ নৌবহরের প্রতিরোধ ঠেকিয়ে অতলান্তিকে তেলবাহী জাহাজ...

USA: পুতিন ‘বন্দি’ ট্রাম্পের হাতে! রুশ নৌবহরের প্রতিরোধ ঠেকিয়ে অতলান্তিকে তেলবাহী জাহাজ কব্জা মার্কিন মেরিনের

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পাঠানো নৌবহরের পাহারা সত্ত্বেও অতলান্তিক মহাসাগরে তেলবাহী জাহাজ বেলা-১ দখল করল মার্কিন মেরিন কমান্ডো বাহিনী।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

১৯৬০ দশকের কিউবার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে? এই আশঙ্কাই বাড়ছে দক্ষিণ আমেরিকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ঘিরে। জানা গিয়েছে, ভেনেজুয়েলার কাছে আটলান্টিক সাগরে রুশ তৈলবাহী জাহাজ দখল করেছে মার্কিন ফৌজ। মারিনেরা নামে ওই জাহাজটিকে রক্ষা করার জন্য রুশ নৌবাহিনী মোতায়েন করার চেষ্টা করছিল মস্কো, এমনটাই সূত্রের খবর। তবে রুশ বাহিনী পৌঁছনোর আগেই জাহাজ দখল করে মার্কিন বাহিনী।

গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ভবনে ঢুকে নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন ফৌজ। তারপরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, আমেরিকাই পরিচালনা করবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিকে। আপাতত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েছেন মাদুরোর দীর্ঘদিনের ডেপুটি ডেলসি রডরিগেজ। জানিয়েছিলেন, ভেনেজুয়েলা আমেরিকার ‘দ্বাসত্ব’ মেনে নেবে না। কিন্তু লাগাতার মার্কিন হুমকির মুখে পড়ে তিনিও সুর নরম করেছেন। আমেরিকার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়েই তিনি কাজ করতে ইচ্ছুক বলেও জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ পরিস্থিতি বেগতিক! বড় সিদ্ধান্ত নিল পদ্মাপার, ভারতীয়দের জন্য পর্যটক ভিসা দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিল বাংলাদেশ

এহেন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার আমেরিকা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, চিন, রাশিয়া এবং ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। তবেই তেল উত্তোলনে ‘অনুমতি’ দেবে আমেরিকা। এছাড়াও তেল ব্যবসায় শুধু আমেরিকার সঙ্গেই চুক্তি করতে হবে ভেনেজুয়েলাকে, শর্ত ওয়াশিংটনের। তারপরেই বুধবার রুশ জাহাজ আটক করল মার্কিন ফৌজ। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে রুশ জাহাজ বেলা ১কে নিষিদ্ধ করে আমেরিকা। পরে ওই জাহাজের নাম মারিনেরা রাখা হয়।

জানা গিয়েছে, ইরান থেকে ভেনেজুয়েলায় যাচ্ছিল মারিনেরা। কিন্তু মার্কিন ‘জাল’ ভেদ করে ভেনেজুয়েলায় ঢুকতে পারেনি। ফিরে আসার চেষ্টা করছিল মারিনেরা। কারাকাসে হামলার সময় থেকেই মারিনেরার গতিবিধির উপর নজর রাখছিল আমেরিকা। সেটা আঁচ করতে পেরেই নৌবাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল মস্কোর। তবে রুশ বাহিনী পৌঁছনোর আগেই বুধবার জাহাজের দখল নেয় মার্কিন ফৌজ। সেটা না হলে ভেনেজুয়েলার সৈকতে সম্মুখসমরে দেখা যেত আমেরিকা-রাশিয়াকে।

রাশিয়ার জাতীয় মিডিয়ার তরফে জাহাজ দখলের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। মার্কিন সেনার তরফেও এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়, নিষিদ্ধ হওয়া জাহাজের জেরে পশ্চিম গোলার্ধের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলেই জাহাজটির দখল নেওয়া হয়েছে। তবে এই দেখে বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, আবারও বিশ্বজুড়ে শুরু হবে ঠান্ডা লড়াই? ফের যুদ্ধংদেহি মেজাজে ময়দানে নামবে আমেরিকা এবং রাশিয়া? ১৯৬০র দশকে কিউবাকে ঘিরে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং আমেরিকার দ্বৈরথ প্রায় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত গড়িয়ে গিয়েছিল। আবারও কি সেই ঠান্ডা লড়াই ফিরবে? 

প্রেসিডেন্টের পর এবার গোটা ভেনেজুয়েলাকেই বন্দি করবে আমেরিকা! মার্কিন যুদ্ধসচিব পিট হেগসেথ জানিয়ে দিলেন, বিশ্বের সমস্ত প্রান্তেই ভেনেজুয়েলার তেল নিষিদ্ধ। বুধবারই ভেনেজুয়েলার উপকূল থেকে রাশিয়ার এক তৈলবাহী জাহাজ দখল করেছে মার্কিন ফৌজ। তারপরেই ভেনেজুয়েলার তেলকে সরাসরি ‘বেআইনি’ বলে ঘোষণা করলেন হেগসেথ। পরে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ভেনেজুয়েলার যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে আমেরিকাই। 

বিশ্বের বৃহত্তম তেলের ভান্ডার রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। কিন্তু সেখানে তেল উত্তোলনের পরিমাণ তুলনায় অনেক কম। তা সত্ত্বেও দেশটির অর্থনীতিই দাঁড়িয়ে রয়েছে তেলের ব্যবসার উপর। যা তেল উৎপাদন হয়, তার বেশিরভাগটাই কেনে চিন। বেশ কয়েকদিন বাগযুদ্ধের পর গত শনিবার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ভবনে ঢুকে নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন ফৌজ। তারপরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, আমেরিকাই পরিচালনা করবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিকে।

আরও পড়ুনঃ বাজারে যে স্বস্তি এখন আর বলা যাচ্ছে না; মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ক্রেতাদের কপালে ভাঁজ, লক্ষ্মীবারে সবজির দামের হালচাল

মঙ্গলবার আমেরিকা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, চিন, রাশিয়া এবং ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। তবেই তেল উত্তোলনে ‘অনুমতি’ দেবে আমেরিকা। এছাড়াও তেল ব্যবসায় শুধু আমেরিকার সঙ্গেই চুক্তি করতে হবে ভেনেজুয়েলাকে, শর্ত ওয়াশিংটনের। তারপরেই রুশ জাহাজ দখল করে মার্কিন ফৌজ। মার্কিন অবরোধ পেরিয়ে ভেনেজুয়েলায় প্রবেশের চেষ্টা করছিল এই জাহাজ। সম্ভবত ভেনেজুয়েলা থেকে তেল নিতে ব্যর্থ হয়ে ফেরার পথেই মার্কিন দখলে চলে যায় জাহাজটি।

তারপরেই এক্স হ্যান্ডেলে হেগসেথের ঘোষণা, ‘ভেনেজুয়েলার তেলের উপর মার্কিন অবরোধ গোটা বিশ্বজুড়েই কার্যকর থাকছে। যারা ঘুরপথে ভেনেজুয়েলার তেল কেনার চেষ্টা করছে তাদের উপরেও রয়েছে মার্কিন অবরোধ। এই ভাবে তেল কেনার অর্থ ভেনেজুয়েলার সম্পদ চুরি। আমেরিকা যাদের বৈধ বলে মনে করবে, কেবল তারাই ভেনেজুয়েলা থেকে তেল নিতে পারবে।’ পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লেভিট বলেন, ভেনেজুয়েলা সরকারের যাবতীয় কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করবে হোয়াইট হাউস। মার্কিন ফৌজের জাহাজ দখলের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে রাশিয়াও। তাহলে কি ট্রাম্পকে পালটা দেবেন ভ্লাদিমির পুতিন?

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন