Wednesday, 21 October, 2026
21 October
HomeদেশHaridwar: মা গঙ্গা কোথায় গেলেন! শুকিয়ে গিয়েছে হরিদ্বারে হর কি পৌরি ঘাটে...

Haridwar: মা গঙ্গা কোথায় গেলেন! শুকিয়ে গিয়েছে হরিদ্বারে হর কি পৌরি ঘাটে গঙ্গার জল

এই সময়ে বাঙালি তীর্থযাত্রীদের ভ্রমণ মরসুম চলায় বহু বাঙালি ভক্তও হরিদ্বারে উপস্থিত রয়েছেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ প্রতিবেদন:

পবিত্র গঙ্গাস্নানের প্রবল আশা নিয়ে হরিদ্বারে পৌঁছে চরম হতাশার মুখে পড়তে হচ্ছে বহু পুণ্যার্থীকে। দীর্ঘ ১৮ দিন ধরে গঙ্গা খাল বন্ধ থাকার ফলে হরিদ্বারের বিখ্যাত ‘হর কি পৌরি’ ঘাটে দেখা দিয়েছে তীব্র জলের অভাব। জল শুকিয়ে যাওয়ার কারণে ভক্তরা পবিত্র গঙ্গায় প্রথাগত স্নান করতে পারছেন না। মূলত বার্ষিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্যই এই খালটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে আগামী ৭ নভেম্বর মধ্যরাতে ফের গঙ্গা খাল খুলে দেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ২০২৭ সালের আসন্ন কুম্ভমেলাকে সামনে রেখে ‘লক্ষ্মণ ঝুলা’-র সংস্কারের কাজও বর্তমানে দ্রুতগতিতে চলছে।

আরও পড়ুনঃ ইন্দোনেশিয়ার বাংদুংয়ে চরম তাণ্ডব; বিক্ষোভকারীদের হামলায় পুলিশের গাড়িতে দাউদাউ করে জ্বলল আগুন

হর কি পৌরিতে পুণ্যার্থীদের হতাশা ও ভিড়

হরিদ্বারের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় তীর্থস্থান হলো হর কি পৌরি, যেখানে সারা বছরই সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে প্রতিদিন সন্ধ্যার বিশ্ববিখ্যাত গঙ্গা আরতি দেখতে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার মানুষ এখানে জড়ো হন। গঙ্গাস্নানের পবিত্র মানসে প্রতি বছরই এখানে প্রচুর মানুষ ভিড় জমান। এই সময়ে বাঙালি তীর্থযাত্রীদের ভ্রমণ মরসুম চলায় বহু বাঙালি ভক্তও হরিদ্বারে উপস্থিত রয়েছেন। কিন্তু ঘাটে পর্যাপ্ত জল না থাকায় তাঁদের অনেকেই কাঙ্ক্ষিত গঙ্গাস্নানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং এমন অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে পড়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করছেন।

হরিদ্বারে ঘুরতে আসা বেশ কয়েকজন ভক্ত জানিয়েছেন, তাঁরা মূলত পবিত্র গঙ্গায় ডুব দিয়ে স্নান করার উদ্দেশেই এসেছিলেন। কিন্তু হর কি পৌরিতে জল না থাকায় সেই আশা পূর্ণ হয়নি। তবে তাঁরা জানিয়েছেন যে, সরাসরি গঙ্গাস্নানের সৌভাগ্য না হলেও অন্তত গঙ্গাজল পান করে এবং গায়ে জল ছিটিয়ে নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মানস পূরণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

শুকনো খাতে মুদ্রার সন্ধান ও খালের গুরুত্ব

গঙ্গা খালের জলপ্রবাহ বন্ধ থাকায় হর কি পৌরির নদীগর্ভের শুকনো অংশে এক ভিন্ন দৃশ্য চোখে পড়ছে। সাধারণত নদীর স্বাভাবিক জলে নেমে ভক্তদের ফেলে যাওয়া কয়েন, খুচরো টাকা ও বিভিন্ন পূজারি সামগ্রী খোঁজার কাজ করেন অনেকে। কিন্তু জল সম্পূর্ণ কমে যাওয়ায় এখন এই শুকনো অংশের বালুচরেও সেই একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশের কোটি কোটি মানুষের পানীয় জল সরবরাহের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো এই গঙ্গা খাল। প্রতি বছরই নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং জরুরি মেরামতির কাজের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য এই খাল বন্ধ রাখা হয়। এ বারও ১৮ দিনের জন্য জলপ্রবাহ বন্ধ রেখে সেই মেরামতির কাজ চলছে। এছাড়া ২০২৭ সালের অর্ধকুম্ভ মেলাকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজও বর্তমানে জোরকদমে চলছে।

আরও পড়ুনঃ  চিনির চড়া দাম ও দুধের মূল্যবৃদ্ধির জেরে বিজয়ায় মিষ্টির মুখেও ছ্যাঁকা, তবুও মিষ্টিমুখের আয়োজনে কমতি নেই বাঙালির

কবে স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি?

নির্ধারিত কার্যসূচি অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর মধ্যরাতেই গঙ্গা খাল সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে খাল খুলে দেওয়ার পরেও হর কি পৌরির মূল ঘাটে স্বাভাবিক জলপ্রবাহ ফিরে আসতে ঠিক কতটা সময় লাগবে, তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে সার্বিক জল সরবরাহের পরিস্থিতির ওপর।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন