ধেয়ে আসছে ঝড়বৃষ্টি–শিলাবৃষ্টি গোটা রাজ্যে…
হ্যাঁ, খুব শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধেয়ে আসছে চলতি মৌসুমের একটি সক্রিয় ঝড়বৃষ্টি বলয়। এই সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ধরণের ঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ভারত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত; বন্ধ নিউজ চ্যানেলের TRP
এই সময়সীমায় রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে দৈনিক প্রায় ৩০–৪০ শতাংশ এলাকায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড়বৃষ্টি সাধারণত দৈনিক ১–২ দফায় হতে পারে এবং স্থানভেদে দমকা হাওয়ার গতি ৪০–৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। কোথাও কোথাও মিনি টর্নেডো সদৃশ তীব্র ঝড়ের গতিবেগও দেখা যেতে পারে এবং বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
সম্ভাব্য সময় : ৯ ই মার্চ হতে ১৫ ই মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সময়সীমা পরবর্তী কালে সময়সীমা বর্ধিত হতে পারে।
তবে এই ঝড়বৃষ্টি একচেটিয়াভাবে সব জেলায় বা এক নাগাড়ে হবে না। প্রতিটি জেলার কিছু কিছু অঞ্চলে আকস্মিকভাবে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর থেকে দক্ষিণ এবং পূর্ব থেকে পশ্চিম—পশ্চিমবঙ্গের সবকটি জেলাতেই এই সময়সীমায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পর্যটন শিল্পে বিপর্যয়ের ছায়া! যুদ্ধের আঁচ দার্জিলিং ও সিকিমে
এই সময়সীমায় পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তর–পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য যেমন আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও মণিপুর এবং পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশ ও ভুটান-এর কিছু এলাকাতেও এই ঝড়বৃষ্টি বলয়ের প্রভাব পড়তে পারে।
অতিরিক্ত সতর্কতা :
দিনের যে কোনও সময় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও মূলত দুপুর থেকে রাতের মধ্যে সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাই এই সময় আকাশের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখুন। ঘন কালো মেঘ দেখলে খোলা মাঠে বা গাছের নিচে দাঁড়াবেন না, বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকতে পারে।
নির্দিষ্ট সময়কালে গবাদিপশু খোলা মাঠে না রাখাই শ্রেয়। খোলা ছাদে যদি ফুলের টব থাকে তবে সেগুলো শুইয়ে বা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখুন। কোনো অনুষ্ঠান থাকলে প্যান্ডেল শক্তপোক্ত করে বাঁধুন এবং বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। বাইরে বেরোলে ছাতা কিংবা রেইনকোট সঙ্গে রাখুন।
কৃষি সতর্কতা :
পরিপক্ক আলু কিংবা অন্যান্য সবজি থাকলে আগেভাগে তুলে নেওয়াই শ্রেয়, কারণ ঝড়বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকতে পারে।









