দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি বিধানসভা এলাকার চুপড়িঝাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সিকিরহাট এলাকায় শনিবার তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুনঃ থমকে গেল কলকাতা মেট্রো! শীতের মরশুমে ব্যহত পরিষেবা
রাজনৈতিক বিবাদের জেরে আচমকা শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনার পর গোটা এলাকা থমথমে হয়ে ওঠে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়।
বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, শনিবার সিকিরহাট এলাকায় মৎস্যজীবীদের নিয়ে দলের একটি সভা চলছিল। সেই সময় আচমকাই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা সেখানে হামলা চালায়। বিজেপি জয়নগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উৎপল নস্করের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই সভা ভাঙচুর ও বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। তাঁর অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় তৃণমূলের কর্মীরা লাঠি ও অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এতে বিজেপির একাধিক কর্মী আহত হন বলে তিনি জানান। অন্যদিকে, এই ঘটনার সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল নেতা পবন ভুঁইয়ার দাবি, সিকিরহাট এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা ঢেকে বিজেপির পতাকা লাগানো হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা প্রতিবাদ জানান।
তাঁর অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য কমলেশ গায়েনকে বিজেপি কর্মীরা মারধর করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য কমলেশ গায়েন আহত হন। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করা হয়। অপরদিকে, বিজেপি কর্মী সুজিত সরকার গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকেও দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকদের মতে, তাঁর আঘাতের অবস্থা গুরুতর হলেও বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।ঘটনার খবর পেয়ে কুলতলি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়।









