spot_img
Tuesday, 3 March, 2026
3 March
spot_img
HomeদেশNarendra Modi: ‘খারাপ দিন আসছে!’ মোদীকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

Narendra Modi: ‘খারাপ দিন আসছে!’ মোদীকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন মোড় এনে দিয়েছে। একদিকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো, অন্যদিকে বাণিজ্যিক চাপ বাড়ছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের ভারতের রাশিয়ান তেল কেনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা বললেন। মঙ্গলবার হাউস রিপাবলিকানদের এক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “আমার মোদীর সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক। কিন্তু তিনি আমার উপর খুব একটা খুশি নন, কারণ ভারত এখন রাশিয়ান তেল কেনায় অনেক ট্যারিফ দিচ্ছে।” তাঁর এই মন্তব্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভারতের তেল নীতি নিয়ে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ডলারের বিকল্প তৈরির চেষ্টায় ‘ব্রিকস’; বিপদ বাড়ছে ভারতের!

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ট্যারিফের কারণে আমেরিকা ধনী হচ্ছে এবং শিগগিরই ৬৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ দেশে আসবে।গত রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, “মোদী জানতেন আমি খুশি নই। তিনি আমাকে খুশি করতে চেয়েছিলেন।” তিনি দাবি করেন, ভারত রাশিয়ান তেল আমদানি কমিয়েছে শুধু তাঁকে খুশি করার জন্য।

ট্রাম্পের পাশে থাকা রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, ভারতীয় রাষ্ট্রদূত তাঁকে জানিয়েছেন যে রাশিয়ান তেল কেনা কমানো হয়েছে এবং ট্যারিফ ছাড়ের অনুরোধ করেছেন। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা খুব তাড়াতাড়ি ট্যারিফ বাড়াতে পারি। এটা তাদের জন্য খুব খারাপ হবে।”২০২৫ সালের আগস্ট থেকে আমেরিকা ভারতের আমদানি পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ আরোপ করেছে, যার মধ্যে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শাস্তি।

ট্রাম্পের দাবি, এই চাপের কারণেই ভারত রাশিয়ান তেল কেনা কমিয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার বারবার বলেছে, তেল কেনা জাতীয় স্বার্থ এবং বাজারের চাহিদার উপর নির্ভর করে। রাশিয়া থেকে সস্তা তেল কিনে ভারত তার জ্বালানি খরচ অনেকটা কমিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য উপকারী।ট্রাম্পের এই মন্তব্য দু’দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুনঃ পুরুলিয়ার থেকে বেশি ঠান্ডা কলকাতায়! আজ বঙ্গে আরও বাড়বে শীতের দাপট

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য আলোচনা চলছে, কিন্তু ট্যারিফের কারণে তা আটকে আছে। ভারত চায় কৃষিপণ্য এবং ডেয়ারি সেক্টরে বাজার খোলা না করে ট্যারিফ কমানো। অন্যদিকে ট্রাম্প রাশিয়ার উপর চাপ বাড়াতে ভারতের মতো দেশগুলোকে ট্যারিফের হাতিয়ার ব্যবহার করছেন।

তিনি দাবি করেন, ট্যারিফ থেকে আমেরিকা ধনী হচ্ছে এবং ৬৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ শিগগিরই বাজেটে যোগ হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ট্যারিফ যুদ্ধ ভারতের রফতানিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, বিশেষ করে টেক্সটাইল, গয়না এবং সীফুডের মতো সেক্টরে।

ভারতের তরফে এখনও সরাসরি প্রতিক্রিয়া আসেনি, কিন্তু বিদেশ মন্ত্রক আগে বলেছে যে জ্বালানি নিরাপত্তা ভারতের অগ্রাধিকার। রাশিয়ান তেল কেনা বন্ধ করলে দাম বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের উপর চাপ পড়বে। ট্রাম্প মোদীকে ‘ভালো মানুষ’ বলে প্রশংসা করলেও তাঁর হুঁশিয়ারি স্পষ্ট রাশিয়ান তেল ইস্যুতে সহযোগিতা না করলে ট্যারিফ আরও বাড়বে। এই বিতর্ক দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন মোড় এনে দিয়েছে। একদিকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো, অন্যদিকে বাণিজ্যিক চাপ বাড়ছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন