Saturday, 17 October, 2026
17 October
Homeউত্তরবঙ্গKurseong: Oh My Love; কার্শিয়াংয়ের দুধিয়ার লংভিউ চা-বাগানে সঙ্গিনীর অধিকার নিয়ে দুই...

Kurseong: Oh My Love; কার্শিয়াংয়ের দুধিয়ার লংভিউ চা-বাগানে সঙ্গিনীর অধিকার নিয়ে দুই দাঁতাল তুমুল সংঘাত, আতঙ্কে বাসিন্দারা

একচ্ছত্র প্রভাব বজায় রাখতেই মূলত এই ধরনের হিংস্র সংঘাত ঘটে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

সঙ্গিনীর ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও দলীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই শক্তিশালী দাঁতাল হাতির মধ্যে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কার্শিয়াংয়ের দুধিয়ার ৩৪ নম্বর এলাকা সংলগ্ন লংভিউ চা-বাগান। দুই প্রকাণ্ড পুরুষ হাতির গর্জন ও তাণ্ডবে চা-বাগান কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বন দপ্তরের পানিঘাটা রেঞ্জের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আরও পড়ুনঃ এনজেপিতে আরপিএফের বড় সাফল্য; ব্যাকপ্যাক থেকে গাঁজা উদ্ধার, গ্রেফতার বিহারের দাগি পাচারকারী

লড়াইয়ের কারণ ও বন দপ্তরের পর্যবেক্ষণ

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার লংভিউ চা-বাগানে দুটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ হাতি মুখোমুখি চলে আসে এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে তাদের মধ্যে লড়াই চলে:

  • লড়াইয়ের নেপথ্যে: প্রজনন মরসুমে সঙ্গিনীকে লাভ করা কিংবা নিজস্ব এলাকার (Territorial dominance) ওপর একচ্ছত্র প্রভাব বজায় রাখতেই মূলত এই ধরনের হিংস্র সংঘাত ঘটে।

  • বিগত নজির: সম্প্রতি টুকরিঝাড় রেঞ্জেও সঙ্গিনীকে কেন্দ্র করে দুটি হাতির লড়াইয়ে একটি হাতি মারাত্মক আহত হয়েছিল। ফলে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সতর্ক ভূমিকা নেন বনকর্মীরা।

হাতি দুটির বর্তমান অবস্থান ও নজরদারি

লড়াইয়ের পর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হাতি বর্তমানে দুটি ভিন্ন জঙ্গলে পথ ধরেছে:

হাতির অবস্থান এলাকা ও বর্তমান স্থিতি
প্রথম হাতি বাগডোগরা রেঞ্জের জঙ্গল এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে।
দ্বিতীয় হাতি বামনপোখরীর গভীর জঙ্গলে চলে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাটুলিতে এখন দিঘার থেকেও বেশি ঢেউ; রাস্তাতেও ধরা যাচ্ছে বাটা মাছ!

প্রশাসনের পদক্ষেপ ও সতর্কতা

হাতি দুটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় আপাতত চা-বাগান ও সংলগ্ন এলাকার বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা সাময়িকভাবে কমেছে। তবে কার্শিয়াংয়ের ডিএফও (DFO) দেবেশ পাণ্ডে জানিয়েছেন, দুটি হাতিই কোনোভাবে জখম হয়েছে কি না এবং লোকালয়ে ঢুকে পড়ার সুযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফের যেন লড়াই শুরু না হয়, সে জন্য দুটি পৃথক রেঞ্জের বনকর্মীরাই হাতি দুটির গতিবিধির ওপর ২৪ ঘণ্টা কড়া নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন