জোরাল ভূমিকম্প কলকাতায়। কম্পন অনুভূত হল রাজ্যের একাধিক জেলায়ও। কোথাও নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে পড়ল। কোথাও বাড়িতে ফাটল ধরল। রাস্তায় বেরিয়ে এলেন সাধারণ মানুষ।
আরও পড়ুনঃ আজকের ভূমিকম্প তো ট্রেলার মাত্র, ২০২৬-এ ধেয়ে আসছে মহাপ্রলয়
আতঙ্কে স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে গেল। শুক্রবার দুপুরে আতঙ্কের ছবি ধরা পড়ল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। দেখা যাক, কোথায় কী হল।
এদিন দুপুর ১টা ২২ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। প্রায় ৪৫ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী ছিল কম্পন। যদিও এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা। তবে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়।
আরও পড়ুনঃ সাবধানতা অবলম্বন করুন, কলকাতায় তীব্র ভূমিকম্প হলে কি করবেন?
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের বরুণহাট রামেশ্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যায়, ভূমিকম্পের জেরে গ্রাম পঞ্চায়েত ছেড়ে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন কর্মচারীরা। ভূমিকম্পের জেরে হিঙ্গলগঞ্জেরই বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের মধ্যে হুলস্থূল পড়ে যায়। আতঙ্কে স্কুলের বাইরে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। আবার উত্তর ২৪ পরগনারই মিনাখাঁয় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভূমিকম্পের জেরে ভেঙে পড়ে। বাঁকড়া ডোবর প্রাথমিকের স্কুলের এক পড়ুয়া বলেন, “ভূমিকম্প হতে স্কুল কেঁপে ওঠে। আমরা ভয় পাই। তখন আমাদের বাইরে আনা হয়।”
ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায়। আতঙ্কে ক্যানিং মহকুমাশাসকের দফতরের কর্মীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। এক কর্মী বলেন, “আমার মাথা ঘুরছিল। আমি ভাবলাম শরীর খারাপ। তারপরই দেখি, সবাই হুড়োহুড়ি করছে। তারপর তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে আসি।” আবার সুন্দরবন এলাকার বিভিন্ন স্কুল থেকে মাঠে বেরিয়ে আসে পড়ুয়ারা। পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলিতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ডানকুনি পৌরসভার কর্মচারীরা ভয়ে অফিসের বাইরে বেরিয়ে আসেন।









