ভোটের মুখে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার কার্যত কলকাতা পুরসভার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিল কমিশন, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
আরও পড়ুনঃ বিচারক বন্দী, রাষ্ট্র নীরব! সংবিধান ভাঙছে, না ৩৫৬-এর খেলা শুরু?
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে কলকাতা পুরসভার কমিশনারের দফতরের উত্তর কলকাতার নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস হিসেবে কাজ করবে। বর্তমানে পুর কমিশনার পদে থাকা আইএএস অফিসার সুমিত গুপ্তই এই অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাবেন।
এই সিদ্ধান্তের জেরে পুরসভার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাজেও বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, এখন থেকে পুরসভার যেকোনও নিত্যনৈমিত্তিক কাজ, তা গাছ কাটাই হোক বা আবর্জনা পরিষ্কার, সবকিছুর জন্যই কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হবে। এমনকি পুরসভার অধিবেশন বা বৈঠক ডাকতেও লাগবে কমিশনের ছাড়পত্র।
আরও পড়ুনঃ হাওয়া কি উল্টো! শ্যামপুকুরে বিজেপি প্রার্থীকে দেখেই টাকার বন্যা
ফলে শহরের নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও পুর কমিশনারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, জরুরি পরিষেবাগুলি চালু রাখা হবে এবং নাগরিকদের অসুবিধা যতটা সম্ভব কমানোর চেষ্টা করা হবে।
রাজ্যের শাসকদলের অভিযোগ, অতীতে ভোটের আগে কমিশনকে সবরকম সহযোগিতা করা হলেও, এবারের সিদ্ধান্ত একেবারেই অস্বাভাবিক। তাঁদের দাবি, ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলির পর এবার পুরসভাকেও কার্যত ‘দখল’ করে নেওয়া হল।



