দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট। আর বিধানসভা ভোট এগিয়ে আসতেই কলকাতার বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে শাসকদলের সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে জোর আলোচনা জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আলোচনার তুঙ্গে মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে। কে হবেন এই কেন্দ্রে প্রার্থী? মা পান্ডে না কি মেয়ে পান্ডে? সাধন পান্ডের মৃত্যুর পর এই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ঘিরে পান্ডে পরিবারের কোন্দল নিয়ে চর্চা চলেছিল নাগাড়ে। শোনা গিয়েছিল সুপ্তি এবং শ্রেয়া পান্ডে দুজনেই নাকি এই কেন্দ্রের দাবিদার। শেষমেশ সাধন পান্ডের স্ত্রী সুপ্তি পান্ডেই টিকিট পান এবং উপনির্বাচনে জিতে বিধায়ক হন। শোনা যাচ্ছে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে এবারও তৃণমূলের প্রার্থী হতে চলেছেন সুপ্তি পান্ডে। সুপ্তি দেবীর অভিজ্ঞতা রয়েছে নবীন-প্রবীণ সকলকে নিয়ে চলার। সাধন পান্ডের সময় থেকেই বিধানসভার কাজে তিনি স্বামীর সঙ্গে কাজ করেছেন। সব দিক বিবেচনা করে তাই সুপ্তি পান্ডের পাল্লাই ভারী ।
এরপর অন্যতম আলোচিত কেন্দ্র বেহালা পূর্ব। এই কেন্দ্রের বিধায়ক রত্না চ্যাটার্জি। এখন শোভন চ্যাটার্জির তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের পর অনেকেই ভাবছিলেন শোভন বাবু বেহালার পুরনো কেন্দ্রে ফিরে যেতে পারেন। এই জল্পনার পিছনে মূল কারণ, শোভন বাবুর স্ত্রী রত্না দেবীর বাবা তথা মহেশতলার বিধায়ক দুলাল দাস এবার আর ভোটে দাঁড়াবেন না বলে উনি নিজেই দলকে জানিয়েছেন। তাই জল্পনা ছিল যে রত্না দেবী তাঁর আসনে প্রার্থী হতে পারেন। ওদিকে বেহালা পূর্বে ফিরে যেতে পারেন শোভন চট্টোপাধ্য়ায়! কিন্তু শেষ পর্যন্ত যা খবর, তাতে রত্না চ্যাটার্জির-ই বেহালা পূর্ব আসন থেকে তৃণমূলের টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা।
আরও পড়ুনঃ বামেদের অন্দরে এখন শুধুমাত্র ফিসফাস; লাল পতাকার গায়ে এখন সন্দেহের শ্বাস ও ত্রাস!
এবার বড় আলোচনার কেন্দ্রে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র। এই কেন্দ্র পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের কেন্দ্র। শিক্ষা দুর্নীতির জেরে জেল যাত্রার পর ফিরে এলেও দল তাঁর সঙ্গে আর তেমন কোনও যোগাযোগ রাখছে না। ফলে এই কেন্দ্রে পার্থর টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা একপ্রকার নেই। কিন্তু তাহলে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী কে? শোনা যাচ্ছে কোনও একজন কলাকুশলী প্রার্থী হতে পারেন এই কেন্দ্রে।
ওদিকে উত্তর চব্বিশ পরগনার মন্ত্রীর আসন পরিবর্তন নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে খড়দহ কেন্দ্র থেকে সরিয়ে কলকাতার বালিগঞ্জ আসনে প্রার্থী করা হতে পারে বলে তৃণমূলের অন্দরমহলের খবর।









