পঞ্চগড় জেলায় জাতীয় নির্বাচনে চরম বিপর্যয় ঘটেছে ‘জুলাই চার্টার’ বা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক সারজিস আলমের। গণমাধ্যমে তিনি ‘জুলাই জঙ্গি’ হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছিলেন। স্থানীয় ভোটারদের তীব্র প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়ে বিএনপি প্রার্থীর কাছে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ‘ঐতিহাসিক জয়’, তারেককে মোদীর শুভেচ্ছা, একসঙ্গে কাজ করার বার্তা
নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী পঞ্চগড়-১ আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সারজিস আলমকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেছেন। ভোটের লড়াইয়ে সারজিস আলমের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্দোলনের পর মাঠপর্যায়ে জনসম্পৃক্ততার অভাব এবং স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হওয়াই সারজিস আলমের এই শোচনীয় পরাজয়ের মূল কারণ। অন্যদিকে, বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি এবং প্রার্থীর জনপ্রিয়তাই তাদের এই বড় জয়ের পেছনে কাজ করেছে।
আরও পড়ুনঃ ‘এভাবেও ফিরে আসা যায়’; সত্যি, কামব্যাক হয়তো এটাকেই বলে! অক্সিজেন পেল বাংলাদেশ
পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর এনসিপি নেতা সারজিস আলম নিজেই হাজির হন বিজয়ী প্রার্থী মুহম্মদ নওশাদ জমিরকে অভিনন্দন জানাতে। পাশাপাশি কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা বাদে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদও জানান তিনি। সারজিস আরও বলেন, আমাদের এতটুকু সৎ সাহস থাকা উচিত জয়ী প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানানোর৷ আমাদের কাছ থেকে আগামী পাঁচ বছর সহযোগিতা পাবে৷ পঞ্চগড়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে৷
পঞ্চগড়ে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসাবেই বিবেচিত হয়েছিলেন সারজিজ আলম৷ গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পঞ্চগড়ে লাগাতার গণসংযোগ করে গিয়েছিলেন তিনি৷ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মুহম্মদ নওশাদও ছিলেন হেভিওয়েট৷ তিনি বাংলাদেশের প্রাক্তন স্পিকারের পুত্র৷ ফলে এই আসনে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, তা বোঝাই যাচ্ছিল৷









