Ali Khamenei–কে ঘিরে আজ আবেগ অনেক। কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতি আবেগে চলে না, চলে অবস্থান ও স্বার্থে।
২০১৯ সালে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর তিনি প্রকাশ্যে ভারতের সমালোচনা করেছিলেন।
২০২৪ সালেও তাঁর বক্তব্যে “ভারত”-কে মুসলিম নির্যাতনের প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়।
২০২৫ অপারেশন সিঁদুরের সময় উনি পাকিস্তানের সঙ্গে ছিলেন। সমস্ত রকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুনঃ আরও এক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত! দাবি পাক প্রেসিডেন্ট জ়ারদারির
এর জবাবে ভারতের Ministry of External Affairs স্পষ্ট ভাষায় বলেছিল—এই মন্তব্য “ভ্রান্ত ও অগ্রহণযোগ্য” এবং বাইরের সমালোচকদের নিজেদের সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে আত্মসমালোচনা করা উচিত।
এটাই বাস্তব নথিভুক্ত তথ্য।
অন্যদিকে, ভারত–ইরান সম্পর্ক পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। কারণ রাষ্ট্রের সম্পর্ক ব্যক্তির বক্তব্যে নয়, কৌশলগত স্বার্থে নির্ভর করে।
ভারতের জন্য Chabahar Port অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ায় প্রবেশের জন্য এটি একটি কৌশলগত দরজা।
আরও পড়ুনঃ খেলা গেল ঘুরে; পাকিস্তানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ইরানের
অর্থাৎ একদিকে প্রকাশ্য সমালোচনা, অন্যদিকে কৌশলগত সহযোগিতা—এই ছিল বাস্তব চিত্র।
আর মানবাধিকার প্রশ্নে?
২০২২ সালে Mahsa Amini–র মৃ*ত্যুর পর ইরানে যে দমনপী*ড়ন, গ্রে*ফতার ও মৃ*ত্যুদ*ণ্ডের অভিযোগ উঠেছিল, তা আন্তর্জাতিক মহলে বড় বিতর্ক তৈরি করেছিল।
তাহলে প্রশ্নটা সোজা—
কাশ্মীর ইস্যুতে প্রকাশ্যে ভারতের সমালোচনা করেছেন যিনি, তাঁকে নিঃশর্ত “ভারতের বন্ধু” বলা কতটা যুক্তিযুক্ত?
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বন্ধুত্বে নয়, স্বার্থে টিকে থাকে।
ভারত নিজের স্বার্থে সম্পর্ক রাখবে—কিন্তু ইতিহাস ও নথি ভুলে আবেগে ভেসে যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।









