Friday, 3 April, 2026
3 April
Homeজ্যোতিষ/আধ্যাত্মিকতাGood Friday: ‘পবিত্র সপ্তাহ’; মুক্তি ও ক্ষমার প্রতীক, আজ গুড ফ্রাইডে

Good Friday: ‘পবিত্র সপ্তাহ’; মুক্তি ও ক্ষমার প্রতীক, আজ গুড ফ্রাইডে

বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা প্রার্থনা, উপবাস ও গভীর আত্মবিশ্লেষণের মাধ্যমে পালন করে থাকেন দিনটি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

‘গুড ফ্রাইডে’ শব্দটির সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত থাকলেও এটি কী―তা সাধারণত অনেকের কাছেই অজানা। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের কাছে ইস্টার সানডের পূর্ববর্তী শুক্রবার হচ্ছে অন্যতম শোকাবহ ও পবিত্র দিন; দিনটি ‘গুড ফ্রাইডে’ পালিত হয়। খ্রিস্টীয় ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, যিশু খ্রিস্টের ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার স্মরণে পালিত হয়ে থাকে দিনটি। এ বছর ‘গুড ফ্রাইডে’ পালিত হবে ৩ এপ্রিল।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বসন্তকালীন বিষুব এবং চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় প্রতিবছর এর দিন পরিবর্তন হয়ে থাকে। বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা প্রার্থনা, উপবাস ও গভীর আত্মবিশ্লেষণের মাধ্যমে পালন করে থাকেন দিনটি।

আরও পড়ুনঃ নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

পটভূমি ও ইতিহাস:

গুড ফ্রাইডের প্রবর্তন শুরু হয় প্রথম শতাব্দীতে রোমান শাসিত জুডিয়ায়। গসপেল বা সুসমাচার অনুযায়ী, যিশু খ্রিস্টকে আটক ও বিচার শেষে রোমান গভর্নর পন্টিয়াস পাইলট মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন তাকে। কালভারি (গোলগোথা) নামক জায়গায় ক্রুশবিদ্ধ করা হয় যিশুকে। আদি খ্রিস্টানদের কাছে দিনটি কোনো ছুটির দিন ছিল না; বরং এটি চিল চরম আত্মত্যাগ, শোক ও উপবাসের দিন।

দিনটিকে খ্রিস্টানরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ‘পবিত্র সপ্তাহ’র তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে গণ্য করে আসছেন। প্রায়শ্চিত্ত, সংযম ও গির্জায় নীরব প্রার্থনার মাধ্যমে গভীর আধ্যাত্মিক ভক্তির সঙ্গে উদযাপন করা হয় ‘গুড ফ্রাইডে’।

আরও পড়ুনঃ ফের বাতিল ট্রেন! সপ্তাহান্তে ফের ভোগান্তির আশঙ্কা

গুড ফ্রাইডের গুরুত্ব:

বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টানদের কাছে দিনটির গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। দিনটি ভালোবাসা, মুক্তি ও ক্ষমার প্রতীক। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, যিশু খ্রিস্ট মানুষদের পাপ মোচনের জন্য নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন এবং তিনদিন পর পুনরুত্থিত হন তিনি।

দিনটি বিশ্বাসীদের কাছে ত্যাগ, সমবেদনা এবং বিশ্বাসের মতো বিষয়গুলো নিয়ে গভীরভাবে ভাববার প্রেরণা দেয়। খ্রিস্টানরা ইস্টার সানডের মাধ্যমে নতুন আশা ও পুনর্জাগরণ উদযাপনের প্রস্তুতি হিসেবে শোকাবহ দিনটি পালন করেন।

নামকরণের অর্থ:

‘গুড ফ্রাইডে’ শব্দের ‘গুড’ বলতে এখানে ‘পবিত্র’ বা ‘স্বর্গীয়’ বোঝানো হয়েছে। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস মতে, যিশুর আত্মত্যাগ মানবজাতির জন্য মুক্তি ও আশা বয়ে এনেছে। যা গুড ফ্রাইডে দিনটিকে গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য প্রদান করেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন