পথকুকুরদের নিয়ে বড় রায় দেশের শীর্ষ আদালতের। সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আগের রায়কে বদলে এই মামলায় পশুপ্রেমীদের বড় স্বস্তি দিল বিচারপতি বিক্রম নাথের বেঞ্চ। পাকড়াও করা পথকুকুরদের ছেড়ে দিতে হবে বলেই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের।
আরও পড়ুনঃ হাট্টি মাটিম টিম; জলপাইগুড়িতে ডাইনোসোরের ডিম
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে পথকুকুর সংক্রান্ত এই মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জারিয়ার বেঞ্চে। সমস্ত যুক্তি-তর্ক শেষে রায়দান করে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি বিক্রম নাথ নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের নির্দেশ, যে সকল পথকুকুরগুলিকে প্রশাসন তরফে পাকড়াও করা হয়েছিল, তাদের নির্বীজকরণ ও ব়্যাবিসের টিকাকরণের পর আবার নিজ নিজ জায়গায় ছেড়ে দিয়ে আসতে হবে। অবশ্য, যে সকল পথকুকুরগুলি ইতিমধ্য়েই ব়্যাবিসে আক্রান্ত হয়েছে এবং তাদের আচরণ আগে তুলনায় উগ্র হয়ে গিয়েছে, সেই সব পথকুকুরগুলিকে এখন মুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই জানিয়েছে আদালত।
এই সংক্রান্ত মামলায় আগের রায় কিন্তু সম্পূর্ণ ভাবে খারিজ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। বরং তাতে কিছু বদল এনেছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, পথকুকুরদের মুক্ত করা হলেও, তাদের যেখানে-সেখানে খাবার খাওয়াতে পারবেন না স্থানীয়রা। প্রশাসন তরফে নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করে দিতে হবে। সেখানেই পথকুকুরদের খাবার দিতে পারবেন স্থানীয়রা।
আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে তথ্যপ্রযুক্তি পার্ক ফিউশন সিএক্স-এর
উল্লেখ্য গত ১১ই অগস্ট এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি আর মহাদেবন দিল্লি-এনসিআর এলাকার আবাসিক অঞ্চল থেকে সমস্ত পথকুকুরদের সরিয়ে নেওয়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারপরই উত্তাল হতে দেখা যায় রাজধানীকে। পথে নামেন পশুপ্রেমীরা। দাবি জানানো হয় পুর্নবিবেচনার।
শুক্রবার বিচারপতি বিক্রম নাথ যখন এই মামলার রায়দান করলেন, তখন আগে রায়ের প্রসঙ্গ তুলেই সামগ্রিক পরিবর্তনের কথা বলেন তিনি। পথকুকুরদের দিল্লি-এনসিআর-সহ গোটা দেশের কোনও এলাকা থেকেই তুলে নিয়ে শেল্টারে পাঠানো যাবে না নির্দেশ দেন তিনি। তবে টিকাকরণের প্রয়োজন সাময়িক ভাবে শেল্টারে পাঠানো যেতে পারে বলেও পর্যবেক্ষণ তাঁর।







