Monday, 6 April, 2026
6 April
HomeদেশLockdown 2.0: ভোটের পর লকডাউন হলে সবার আগে কী কী বন্ধ হবে...

Lockdown 2.0: ভোটের পর লকডাউন হলে সবার আগে কী কী বন্ধ হবে দেশে? এক্ষুনি দেখুন

সবার আগে হয়তো পাওয়ার কাট হবে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উপর। আমেরিকা-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের জেরে খনিজ তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভারতেও এর জেরে রান্নার গ্যাস বা এলপিজি (LPG) সংকট তৈরি হয়েছে। যদি ভারতেও এনার্জি লকডাউন আরোপ হয়?

ইতিমধ্যেই ফিলিপিন্সে চলছে এনার্জি লকডাউন। ফিলিপিন্স-ই বিশ্বের প্রথম দেশ যারা তাদের দেশে এনার্জি লকডাউন জারি করেছে! তারা পাওয়ার সেভ করতে শুরু করেছে। বড় বড় শহরের শপিং মলগুলিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। সরকার জ্বালানি কেনার উপরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে

আরও পড়ুনঃ এক শতাব্দীর মহাকাব্য! পদ্মশ্রী কিংবদন্তি আলোকস্তম্ভ ডাঃ মণি ছেত্রীর জীবনাবসান; বয়স হয়েছিল ১০৬

পরিস্থিতি একইরকম খারাপ পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, মায়ানমার, ভিয়েতনামের মতো দেশগুলিতে। এইসব দেশেও অনেকরকম কড়াকডি় আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানে দু সপ্তাহের জন্য স্কুল বন্ধ। সেখানে চালু হয়েছে ওয়ার্ক ফ্রম হোমও। জ্বালানি বাঁচাতে শ্রীলঙ্কায় প্রতি বুধবার পাবলিক হলিডে ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশে বড় আকারে পাওয়ার-কাট চলছে। স্কুলও ছুটি। ভিয়েতনামে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে জ্বালানির দাম। অপ্রয়োজনীয় ট্রাভেলেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সেখানে। মায়ানমারে পেট্রল পাম্প সব বন্ধ। গাড়িগুলির জন্য সেখানে ‘অড-ইভন রুল’ চালু হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত আর চিনই এখনও পর্যন্ত লড়ে যাচ্ছে। ভারতে লকডাউন হবে– এরকম একবার শোনা গিয়েছিল। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কথা থেকেই সেই খবর ছড়িয়েছিল বলে মত একাংশের। তবে, পরে নোটিস দিয়ে জানানো হয় আপাতত লকডাউন হচ্ছে না। কিন্তু, তা সত্ত্বেও পরিস্থিতি যা, তাতে ভারতবাসীর মন থেকে লকডাউনের আশঙ্কা যায়নি! অনেকেই ভাবছেন, ভারতে যদি সত্যিই লকডাউন আরোপ করা হয়, তা হলে আগে কী কী বন্ধ হবে? কী কী ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে দেশবাসীকে?

সবার আগে হয়তো পাওয়ার কাট হবে। তবে সেক্ষেত্রে নিশ্চয়ই একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হবে এবং সেটা আগাম জানিয়ে দেওয়া হবে সকলকে। যাতে মানুষ তৈরি থাকতে পারেন। আর স্বাভাবিক ভাবেই মল, অফিস-কাছারি ও দোকানপাটেরও সময় বেঁধে দেওয়া হবে। কমবে ওয়ার্কিং আওয়ার্সও!

এবং সবার আগে অ্যাডভার্টাইজিং লাইট ও স্ট্রিট লাইট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নিশ্চয়ই শিল্পাঞ্চলগুলিতেও ‘এনার্জি কনজাম্পশন লিমিট’ আরোপ করা হবে। হয়তো ক্রমশ বিরতিমূলক নীতি আরোপ করা হবে সেখানে।

আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা; এখান থেকে আর LPG Cylinder কিনতে পারবেন না!

নিশ্চয়ই পেট্রল ডিজেল নিয়ে রেশনিং সিস্টেম লাগু হবে। এয়ার কন্ডিশন ও হিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জানানো হবে।

এবং, সবচেয়ে বড় কথা, সামগ্রিক ভাবে জ্বালানি-সংকট যাতে আরও জটিল না হয়, সেটা রুখতে একজন কতটা জ্বালানি বা গ্য়াস ব্যবহার করতে পারবেন, সেবিষয়ে কড়া কোনও নীতি গ্রহণ করবে সরকার।

শুধু তাই নয়, সরকার নিশ্চয়ই স্কুল-কলেজ অফিস নিয়েও নীতি আরোপ করবে। ওয়ার্ক ফ্রম হোম নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হবে দ্রুত।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন