হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়া এখন দৈনন্দিন জীবন অচল। ব্যক্তিগত কাজ হোক বা অফিসের কাজ, সবেতেই মাস্ট হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু, জানেন কি মার্চ মাস থেকে আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না। শুধু হোয়াটসঅ্যাপ নয়, একাধিক মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম লাগু হতে চলেছে। তবে, একটা শর্ত মানতে পারলেই কিন্তু আর সমস্যা থাকবে না। কোন কোন মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে শর্ত মানতে হবে, কী শর্ত মানতে হবে, চলুন জেনে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুনঃ GPS ও AI ফিচারে চমক! ৩,৪৯৯ টাকায় Jio-র নতুন JioEyeQ ড্যাশক্যাম
আজ ১ মার্চ থেকে মোট ৮টি মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবেন না। ডিওটি বা ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশনসের তরফে এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ, শেয়ারচ্যাট, টেলিগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, সিগন্যাল, জিওচ্যাট, আরাত্তাই ও জোশ।
অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সিম বাইন্ডিং না থাকলে মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না। সিম বাইন্ডিং করার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। হাতে সময় শেষ।
আরও পড়ুনঃ UIDAI-র সঙ্গে বড় উদ্যোগে ঘোরাঘুরি শেষ; Google Map-ই খোঁজ মিলবে নিকটবর্তী ‘আধার’ কেন্দ্রের
সিম বাইন্ডিং কিছুই না। যে ডিভাইস দিয়ে হোয়্যাটসঅ্যাপ বা মেসেজিং কোনও অ্যাপ ব্যবহার করেন, সেই ডিভাইসে যেন সিম কার্ড থাকে। যদি সিম কার্ড না থাকে তাহলে অ্যাপগুলি আর খুলবে না । আসলে অনেকেই একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে খোলেন। এবার থেকে আর তা করা যাবে না। অ্যাপগুলি অপারেট করতে হলে সিম কার্ড লাগবেই ও সক্রিয় থাকতে হবে ওই সিম কার্ডটি। যদি সিমটি সরানো হয়, অদলবদল করা হয় বা নিষ্ক্রিয় করা হয়, তাহলে সঠিক সিমটি পুনরায় না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাপগুলি সেই ডিভাইসে কাজ করা বন্ধ করে দেবে।
অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠছে, ওয়েব ভার্সনে যাঁরা হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম ব্য়বহার করেন, তাঁদের কী হবে? জানা গিয়েছে, সেক্ষেত্রে প্রতি ছয় ঘণ্টা অন্তর নিজের থেকেই লগ আউট হয়ে যাবে। তারপর পুনরায় তা ডেস্কটপে খোলার জন্য ফোন থেকে QR কোড স্ক্যানিং করতে হবে। অবশ্যই ফোনে সিম কার্ড থাকতে হবে।
সাইবার ক্রাইম রুখতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে জালিয়াতি রুখতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে।









