spot_img
Saturday, 21 February, 2026
21 February
spot_img
HomeদেশAccenture: অফিসে খেটে কাজ করছেন! এবার আপনার বেতন আর প্রমোশন ঠিক করবে...

Accenture: অফিসে খেটে কাজ করছেন! এবার আপনার বেতন আর প্রমোশন ঠিক করবে AI

ধীরে ধীরে এআই-এর দিকে ঝুঁকছে বিভিন্ন সংস্থা। সেই তালিকায় রয়েছে অ্যাক্সেঞ্চারও।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

অফিসে খেটে কাজ করছেন। নাওয়া-খাওয়া ভুলে টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে দৌঁড়চ্ছেন। কাজের চাপে হয়তো পরিবারকেও সময় দিয়ে উঠতে পারেন না। আশা একটাই, উপরতলার নেকনজরে পড়লে প্রমোশন নিশ্চিত। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দিচ্ছে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সম্প্রতি, অ্যাকসেঞ্চার ঘোষণা করেছে এআই না জানলে প্রমোশন বা পদোন্নতি সম্ভব নয়। অবশ্য, সিনিয়র কর্মীদের জন্য এই নয়া নিয়ম এনেছে সংস্থা। ১১ হাজার কর্মী ছাটাইয়ের পর এআই নিয়ে এমনই ঘোষণা করেছে অ্যাক্সেঞ্চার।

আরও পড়ুনঃ একাধিক রোমাঞ্চকর উপহার দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের! ১৯২০ সালের এক রাজকন্যার ইতিহাস

অ্যাকসেঞ্চারের তরফে জানানো হয়েছে, কোম্পানির সিনিয়র কর্মীদের পদোন্নতি নির্ভর করছে, কাজে তাঁরা কতটা এআই ব্যবহার করছেন। স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, যাঁরা এআই ব্যবহার করবেন না, তাঁরা পিছিয়ে পড়বেন। ফাইনান্সিয়াল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, সংস্থার তরফে অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর ও সিনিয়র ম্যানেজারদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, লিডারশিপ রোলে প্রমোশন পেতে গেলে প্রতিদিন ই-মেইলের মাধ্যমে এআই টুলের ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ, আপনি যদি এআই টুল ব্যবহার না করেন, তাহলে আপনার পদোন্নতি হবে না।

ধীরে ধীরে এআই-এর দিকে ঝুঁকছে বিভিন্ন সংস্থা। সেই তালিকায় রয়েছে অ্যাক্সেঞ্চারও। এআই-এর সঙ্গে কোম্পানিগুলির ভবিষ্যৎ কী, এই বিষয়ে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে আলোচনা করেছেন অ্যাক্সেঞ্চারের সিইও জুলি সুইট। তিনি বলেন, “কোম্পানিগুলি তাদের কাজ কীভাবে পরিচালনা করে, কীভাবে গত কয়েক দশক ধরে তারা কাজ করে আসছে, তা চিহ্নিত করে পুনর্নবীকরণের জন্য সচেষ্ট হতে হবে। কাজের প্রক্রিয়াকে নতুনভাবে পরিচালনা করার জন্য কোম্পানিগুলিকে বিনিয়োগ করতে হবে। ”

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় ব্যক্তিকে ‘বাবা’! দিনহাটা থেকে ফের গ্রেফতার অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিক

তবে, অ্যাক্সেঞ্চার প্রথম নয় যে এআই নিয়ে এমন পদক্ষেপ করেছে। অনেক আগের থেকেই বিভিন্ন আইটি কোম্পানির তরফে কর্মীদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে, সংস্থা চাইছে কর্মীরা যেন এআই ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন। তা না হলে শিয়রে সংক্রান্তি। প্রমোশন তো আটকে যাবেই, চাকরি পর্যন্ত চলে যেতে পারে সেই ইঙ্গিতও দেওয়া হচ্ছে। যেমন গত বছরের জুন মাসে মাইক্রোসফট তাদের কর্মীদের জানিয়ে দিয়েছিল, এআই ব্যবহার কোনওভাবেই আর বিকল্প নয় । সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, কাজের মূল্যায়নে যেন এআই-কে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থাৎ আপনি এআই ‘স্যাভি’ না হলে কাজের মূল্যায়নে অনেকটা পিছিয়ে পড়বেন। আবার জানা গিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ আগে মাইক্রোসফট সিইও সত্য নাডেলা সংস্থার সিনিয়র কর্মীদের সতর্ক করে দেন যে, তাঁরা যদি সংস্থার এআই প্ল্যানে বিশ্বাস না করেন, তাহলে তাঁরা সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা চিন্তা-ভাবনা করতে পারেন । গত বছর গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই জানিয়ে দেন, যাঁরা এআই ব্যবহার করবেন না তাঁরা পিছিয়ে পড়বেন, তাঁদের ঝুঁকি বাড়বে।

সার্বিক চিত্র এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কোম্পানিগুলি এআই দিয়ে উৎপাদনশীলতার উপর মনোযোগ দিচ্ছে। অ্যামাজ়ন, টিসিএস-এর মতো কোম্পানিগুলি গত বছরে এক লাখেরও বেশি আইটি কর্মীদের ছাটাই করেছে। সংস্থাগুলির দাবি, এআই তাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে এবং এই প্রক্রিয়ায় কর্মী সংখ্যাও কমবে। আপাতভাবে সংস্থাগুলি চাইছে, কর্মীরা যেন যতটা সম্ভব এআই তাঁরা যেন ব্যবহার করেন।

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে ভারত মণ্ডপমে বসেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। এই কর্মসূচি উপলক্ষে দিল্লিতে পা দিয়েছেন, দেশ-বিদেশের বিশিষ্টরা । বিশ্বের বৃহত্তম এআই সম্মেলন বলে দাবি করা হয়েছে। এদিকে, এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে একের পর এক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সামিট নিয়ে জোর কেন্দ্রীয় সরকার ও বিরোধীদের রাজনৈতিক তর্জাও তুঙ্গে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন