মোদী-ভ্যান্স ফোনালাপই ছিল পরিস্থিতি বদলের প্রধান মুহূর্ত। কারণ সেই সময় পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগাযোগ হচ্ছিল না এবং পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যাচ্ছিল।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুসারে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ হওয়া না পর্যন্ত আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিদেশসচিব মিস্রী বলেন, “আমরা আশা করছি পাকিস্তান এই পরিস্থিতিকে সঠিক ভাবে অনুধাবন করবে এবং এই অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন বন্ধ করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। সেনা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে।
জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে প্রস্তুত রাখতে হবে। যে কোনও পরিস্থিতিতে তাদের কাজে লাগানো হতে পারে।
নিজের আসল রূপটা আবার দেখিয়ে দিল পাকিস্তান। তাদের আবেদনেই বিকালে সংঘর্ষ বিরতির পথে নামে ভারত। কিন্তু সূর্য ডুবে যেতেই নিজের শয়তানের রূপটা ফিরে পেয়েছে তারা।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন পোস্টও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তার বাড়িতে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে অথবা তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।
নিজের সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আমেরিকার মধ্যস্থতায় রাতভর (আমেরিকার হিসাবে) আলোচনার পর, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, যে ভারত এবং পাকিস্তান অবিলম্বে পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।’’