পশ্চিমবঙ্গের উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে শীতের মনোরম আমেজ বজায় রয়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) এর সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুসারে, রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় আকাশ পরিষ্কার থাকবে এবং শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। কোনো বৃষ্টি বা ঝড়ের সম্ভাবনা নেই, এমনকি কোনো সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
আরও পড়ুনঃ সকাল-সন্ধ্যায় ঠান্ডার আমেজ, বাজারে ঢুকলেই বাঙালির সবজির ঝাঁঝালো দামে পকেটে কাঁটা
শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়লেও দিনের বেলা সূর্যের আলোতে মনোরম অনুভূতি হবে, যা মানুষকে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়তে উৎসাহিত করছে।দক্ষিণবঙ্গের কথা বললে, কলকাতা সহ হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলোতে আজ আকাশ একেবারে পরিষ্কার বা হালকা মেঘলা থাকবে।
আইএমডি কলকাতার বুলেটিনে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে, যেখানে কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে। সকালে হালকা কুয়াশা বা হেজ দেখা যেতে পারে, কিন্তু তা দ্রুত কেটে যাবে। শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এই আবহাওয়া পিকনিক বা বাইরে ঘোরাফেরার জন্য আদর্শ।
রাস্তায় লোকজনের ভিড় বাড়ছে, দোকানপাটে ক্রেতা সমাগম বেড়েছে। তবে শীতের কাপড় না নিলে সন্ধ্যার পর ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। আইএমডি জানিয়েছে, পরবর্তী কয়েকদিনও তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম, তাই শুষ্ক এবং মনোরম আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে।উত্তরবঙ্গের ছবি কিছুটা ভিন্ন। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের পাহাড়ি এলাকায় শীতের তীব্রতা বেশি।
আরও পড়ুনঃ ‘চাকরি চুরি থেকে ক্রিকেট-ফুটবল, অলরাউন্ডার বিষ্ণুমাতা!’ বললেন তরুণজ্যোতি
আকাশ পরিষ্কার থাকায় সূর্যের আলো পুরোদমে পড়বে, কিন্তু রাত এবং সকালে ঠান্ডা বাতাসে কাঁপুনি ধরাবে। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে যেতে পারে, সর্বোচ্চ ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রি। পর্যটকরা এই ঠান্ডা উপভোগ করছেন, চা বাগানে হাঁটাহাঁটি বা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য এটি উপযুক্ত সময়।
তবে তুষারপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। সমতলের জেলা যেমন শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়িতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ থেকে ২৪ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখানে সকালে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের বেলা পরিষ্কার আকাশে আরামদায়ক আবহাওয়া। কৃষকরা খুশি, কারণ শুষ্ক আবহাওয়া ফসল তোলার জন্য সহায়ক।









