বাংলাদেশে হিংসার আঁচ যাতে কলকাতায় না পড়ে, তার জন্য সতর্ক থাকতে কয়েকদিন আগেই পুলিশকর্মীদের বার্তা দিয়েছিলেন কলকাতার নগরপাল । আবার কিছুদিন আগে দিল্লিতে গাড়ি বিস্ফোরণ হয়।
আরও পড়ুনঃ লাখ টাকার গর্ভনিরোধক কিনে Swiggy ‘সুপার কনজিউমার’ চেন্নাইবাসী
এই আবহে বড়দিনের উৎসবে মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে মেতে উঠতে পারে, তার জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে লালবাজার। বড়দিনের উৎসবের সময় কলকাতার রাস্তায় থাকবেন প্রায় ১৫০০ পুলিশকর্মী। বিভিন্ন জায়গায় থাকবেন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদা অফিসার, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদা অফিসার ও ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার সহ একাধিক অফিসার।
বড়দিনে সেজে ওঠে পার্ক স্ট্রিট। জনতার ঢল নামে রাস্তায়। বড়দিনের উৎসবে যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা না হয়, তার জন্য সতর্ক থাকছে লালবাজার। সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন রাখার পাশাপাশি মহিলা পুলিশের বিশেষ টিম উইনার্স থাকবে বাড়তি নজরদারিতে। পার্ক স্ট্রিট এলাকায় চার থেকে পাঁচটি ওয়াচ টায়ার তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়াও কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) এবং হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড থাকবে পার্ক স্ট্রিটে। বড়দিনের আগের রাতে যাতে পার্ক স্ট্রিটে জমায়েতে সমস্যা না হয়, তার জন্য পার্ক স্ট্রিট দিয়ে হেঁটে অ্যালেন পার্ক দিয়ে অন্য রাস্তা ব্যবহার করতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে ইন্সপেক্টর, সাব ইন্সপেক্টররা থাকবেন। পার্ক স্ট্রিট ছাড়াও বড়দিনে চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া, জাদুঘর, ময়দান, প্রিন্সেপ ঘাট, মিলেনিয়াম পার্ক, ময়দানে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। কলকাতা পুলিশের হেড কোয়ার্টার লালবাজার থেকে নজরদারি চালানো হবে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো রুখতে বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং চলবে। মেট্রোতেও নজরদারি চালানো হবে।
আরও পড়ুনঃ বন্ধুত্বের আড়ালে পৈশাচিক লালসা! শিলিগুড়িতে কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল দুই ‘বন্ধুর’
এর আগে গত শনিবার কলকাতা পুলিশের মাসিক ক্রাইম মিটিংয়ে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গে।
বাংলাদেশের অশান্তির আঁচ যেন কলকাতায় না এসে পড়ে, তা দেখার নির্দেশ দেন নগরপাল মনোজ ভার্মা। তিনি বলেছিলেন, কলকাতা পুলিশ এলাকায় বাংলাদেশি পাড়ায় ওই অশান্তির আঁচ যেন না পড়ে। যদি কোনও আগাম আঁচ করা যায়, তাহলে দ্রুত পদক্ষেপ করারও নির্দেশ দেন মনোজ ভার্মা।









