এসআইআর আবহে উত্তপ্ত হল ঠাকুরনগর। মতুয়াদের মধ্যেই মারপিট, ধস্তাধস্তি। তৃণমূলের মমতাবালা ঠাকুর এবং বিজেপির শান্তনু ঠাকুরপন্থীদের মধ্যে ঘটে এই বিবাদ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয় যে মাটিতে ফেলে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই। সবমিলিয়ে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে ঠাকুরনগর মতুয়াগড়ে।
আরও পড়ুনঃ ‘হাদির হত্যার নেপথ্যে আপনারাই’, ইউনূস সরকারকে তুলোধোনা প্রয়াত নেতার দাদার
ঠিক কী কারণে এই পরিস্থিতি? মমতাবালাপন্থীদের দাবি, সম্প্রতি শান্তনু ঠাকুর এসআইআরে ১ লক্ষ মতুয়াদের নাম বাদ যাওয়ার যে কথা বলেছিলেন তাতে প্রবল আশঙ্কিত তাঁরা। সেই প্রেক্ষিতে মিছিল করে তাঁর কাছে জবাব চাইতে এসেছিলেন তাঁরা। কেন তিনি এই কথা বললেন, তার উত্তর পাওয়াই লক্ষ্য ছিল। কিন্তু অভিযোগ, শান্তনু ঠাকুরের বাড়ির কাছে আসতেই তাঁর লোকজন তাঁদের ওপর চড়াও হয়।
এদিকে শান্তনু ঠাকুরপন্থীদের পাল্টা দাবি, মমতাবালার লোকজনরা এসে আগে তাঁদের ওপর চড়াও হন। তাঁদের মাটিতে ফেলে মারধর করা হয়। শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী আবার বলেছেন, যারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তাঁদের ওপরে চড়াও হয়েছেন তাঁরা হার্মাদ বাহিনী, দুষ্কৃতী! ঠিক কী কারণে এমন ঘটানো হল, সেটা তাঁর কাছে স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুনঃ হাওড়া সদর বিজেপির প্রতিবাদে উত্তাল হাওড়া ব্রিজ
শান্তনু ঠাকুরপন্থীদের আরও অভিযোগ, যারা এসে হামলা চালিয়েছেন তারা কেউ মতুয়াই নন! মমতাবালা ঠাকুর তাদের মতুয়া সাজিয়ে পাঠিয়েছেন এই কাজ করার জন্য। এরা সকলে তৃণমূলের লোক। অন্যদিকে কার্যত একই অভিযোগ করেছেন মমতাবালাও। তাঁর দাবি, শান্তনু ঠাকুর ভুয়ো মতুয়াদের দিয়ে গন্ডগোল পাকিয়েছেন।
কিন্তু শান্তনু ঠাকুরের কোনও মন্তব্য নিয়ে বিরোধিতা হচ্ছে? আসলে সম্প্রতি তিনি এসআইআর প্রক্রিয়া ইস্যুতে বলেছিলেন, ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীর নাম বাদ দিতে গিয়ে যদি এক লক্ষ মতুয়াকে ভোটদান থেকে বিরত থাকতে হয়, তা মেনে নিতে হবে। এই মন্তব্যই বিতর্ক সৃষ্টি করে এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে বলে মমতাবালা অনুগামীদের দাবি।









