spot_img
Thursday, 15 January, 2026
15 January
spot_img
HomeদেশTMC MPs Protest: I Pac-এ ইডি হানার প্রতিবাদে দিল্লিতে শাহের অফিসের বাইরে...

TMC MPs Protest: I Pac-এ ইডি হানার প্রতিবাদে দিল্লিতে শাহের অফিসের বাইরে TMC সাংসদদের ধর্না, টেনেহিঁচড়ে সরাল পুলিশ

প্রথমে তৃণমূল সাংসদদের সেখান থেকে সরে যাওয়া জন্য অনুরোধ করা হলেও তাঁরা তাতে রাজি হননি। তারপরই বিক্ষোভ সরাতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কলকাতায় আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির রেশ পৌঁছল নয়াদিল্লিতে। শুক্রবার সাতসকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দফতরের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের আট সাংসদ। আর তৃণমূল সাংসদদের অবস্থান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদদের ধস্তাধস্তি বাধে। সাংসদদের আটক করে টেনেহিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। এই নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন তৃণমূল সাংসদরা। পাল্টা কটাক্ষ করেছেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

আরও পড়ুনঃ আজ রাস্তায় মুখ্যমন্ত্রী, কোন রুটে মিছিল?

এদিন সকালে শাহের দফতরের বাইরে ধর্নায় বসেন আট তৃণমূল সাংসদ। ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাকেত গোখলে, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, প্রতিমা মণ্ডল ও শর্মিলা সরকার। তাঁদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। একাধিক প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘মোদী, শাহ ও ইডি জেনে রাখো, যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা’। আইপ্যাকের অফিসে ইডি তল্লাশি নিয়ে সরব হন মহুয়া মৈত্ররা। পুলিশ তৃণমূল সাংসদদের সেখান থেকে সরানোর চেষ্টা করেন। তখনই দু’পক্ষের কার্যত ধস্তাধস্তি শুরু হয়। কাউকে টেনেহিঁচড়ে, কাউকে চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তোলে পুলিশ। পার্লামেন্টস্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয় তৃণমূল সাংসদদের। 

পুলিশ তাঁদের হেনস্থা করে বলে অভিযোগ করে সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলাম। অমিত শাহর পুলিশ আমাদের অত্যাচার করেছে। মারধর করেছে।” বিজেপিকে নিশান করে তিনি বলেন, “এরা লুঠেরার দল। বাংলার মানুষের ভোট পায় না। আমাদের পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজি লুঠ করতে এসেছিল।”

আরও পড়ুনঃ রাস্তায় বিরিয়ানি খাওয়ার আগে সতর্ক হয়ে যান, বাসি মাংসের হদিস বঙ্গে

দিল্লিতে দলের সাংসদদের দিল্লি পুলিশ থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সরব হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘গণতন্ত্রকে সাজা দেওয়া হচ্ছে। অপরাধীদের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সংস্থাগুলিকে হাতিয়ার করা হচ্ছে। নির্বাচনকে ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে।’ এরপরই তিনি লেখেন, ‘প্রতিবাদীদের জেলে ভরা হচ্ছে। ধর্ষকরা জামিন পাচ্ছে। বিজেপির কাছে এটাই নতুন ভারত।’ এতকিছুর পরও বিজেপি বাংলায় হারবে জানিয়ে অভিষেক লেখেন, ‘ভারতের বাকি অংশকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা হলেও বাংলা প্রতিরোধ করবে।’ বাংলা বিজেপিকে হারাবে বলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দেন তিনি।

শাহর দফতরের বাইরে তৃণমূল সাংসদদের ধর্না নিয়ে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ভারতের গৃহমন্ত্রণালয়ের সামনে আপনি ধর্না দেবেন, এটা তো মানা যায় না। ওখানে সরকারি কর্মচারী, অফিসারদের ঢুকতে দিচ্ছেন না। দেশের সুরক্ষা বিঘ্নিত হবে। আমরা পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। আমি গোটা রাত লালবাজারে বেঞ্চে বসেছিলাম। আমি বলব, তৃণমূলের যে সাংসদরা বড় বড় কথা বলছেন, তাঁরা পুরনো ভিডিয়ো দেখুন। আজ তাঁরা গণতন্ত্রের বড় বড় কথা বলছেন।”

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন