spot_img
Saturday, 7 February, 2026
7 February
spot_img
HomeকলকাতাManoranjan Byapari: সিপিএমকে সরিয়েই ক্ষমতায় এসেছে; হঠাৎ তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর কণ্ঠে...

Manoranjan Byapari: সিপিএমকে সরিয়েই ক্ষমতায় এসেছে; হঠাৎ তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর কণ্ঠে সিপিএম কর্মীদের স্তুতি! কি এমন ঘটল?

কলকাতা বইমেলা থেকে ফেরার পথেই তৃণমূল বিধায়ক সিপিএম কর্মীদের প্রশংসা করেছেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

তাঁর দল সিপিএমকে সরিয়েই ক্ষমতায় এসেছে। কথায় কথায় সিপিএম-কে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেতারা। রাজ্যে যখন আর বিধানসভা নির্বাচনের আর একশো দিনও বাকি নেই, তখন তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর কণ্ঠে সিপিএম কর্মীদের প্রশংসা। হঠাৎ বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক সিপিএম কর্মীদের প্রশংসা করতে গেলেন কেন? সেকথা অবশ্য নিজেই খোলসা করেছেন মনোরঞ্জন ব্যাপারী। কী বললেন তিনি?

আরও পড়ুনঃ এটা কি ‘সিটি অফ জয়’! এটাই কি শহর ‘তিলত্তমার’ রূপ! খাস কলকাতায় প্রকাশ্যে প্যান্ট খুলে ধর্ম পরীক্ষার নামে তাণ্ডবের অভিযোগ

রবিবার কলকাতা বইমেলায় এসেছিলেন বলাগড়ের বিধায়ক তথা সাহিত্যিক মনোরঞ্জন। কলকাতা বইমেলা থেকে ফেরার পথেই তৃণমূল বিধায়ক সিপিএম কর্মীদের প্রশংসা করেছেন। কেন করেছেন, সেকথাও সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, “বইমেলা থেকে ফিরবার জন্য বাসে উঠেছি। কিন্তু বাসে বসার মতো কোনও সিট নেই। আমার দুটো হাঁটুতে নি-রিপ্লেসমেন্ট। ফলে বাসের ঝাঁকুনিতে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর। বাধ্য হয়ে সিঁড়ির উপরে বসে পড়েছিলাম।”

এরপরই তিনি লেখেন, “তিন যুবক, তারাও আসছিল বইমেলা থেকে। একজন আমাকে ওইভাবে বসতে দেখে হই হই করে উঠল। আসুন আসুন ! আপনি সিটে বসুন , আমি দাঁড়াচ্ছি। একজন উঠে দাঁড়িয়ে আমাকে সিট ছেড়ে দেবে আর আমি বসব, এতে আমার একটু কেমন যেন লাগছিল! বলি, কিছু হবে না। আমার এইভাবে চলাফেরায় অভ্যাস আছে। প্রাণ নামের সেই যুবক বলে, আমাকে আপনি চিনতে পারছেন না ! আমি আপনার ফেসবুকে আছি। আপনার পোস্টে গিয়ে ঝগড়া করি! আসুন!”

আরও পড়ুনঃ আজ ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস, বন্ধ অফিস-কাচারি ও স্কুল-কলেজ; কমছে মেট্রোর সংখ্যা

এরপরই তিনি জানতে পারেন, ওই যুবকরা সিপিএম কর্মী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মনোরঞ্জন লিখেছেন, “যাই হোক , পরে যখন একটু আলাপ হল জানতে পারলাম এরা তিনজনেই সিপিএম কর্মী। ফলে বর্তমান রাজনীতি নিয়ে অনেক কথা হল। আমার অনেক কথার সঙ্গে তারা একমত হল। তাদের অনেক কথার সঙ্গে আমি একমত হলাম। এবং যেটা আমাকে সব থেকে বেশি আশ্চর্য করল সেটা হচ্ছে , আমি তৃণমূল দলের একজন কর্মী তা সত্ত্বেও তারা আমাকে যথেষ্ট সম্মান দিল, প্রশংসা করল।” সবশেষে বলাগড়ের বিধায়ক লিখেছেন, “বিধায়ক হয়ে আমি আর কি করতে পেরেছি তা জানি না, তবে দলমত নির্বিশেষে সমস্ত সাধারণ মানুষের সম্মান ভালোবাসা যে পেয়েছি সেটাকে অস্বীকার করা যাবে না। এটাই আমার অর্জন এবং সম্পদ!”

মনোরঞ্জন ব্যাপারী একাধিকবার বলেছেন, ছাব্বিশের নির্বাচনে তিনি টিকিট পাবেন কি না জানেন না। পোস্টের শেষে সেই দিকে কোনও ইঙ্গিত রয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে সিপিএম কর্মীদের তিনি যেভাবে প্রশংসা করলেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন