আজ, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া মোটামুটি শান্ত এবং শুষ্ক থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর এবং আইএমডি-র সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর এবং দক্ষিণ বঙ্গ দুই অংশেই বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। আকাশ পরিষ্কার থাকবে, তবে ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে, যা দৃশ্যমানতা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে।
আরও পড়ুনঃ বাঙালির বাঙ্গালিয়ানা বুদ্ধি! কাঁচা লঙ্কার ভেষজ চা, আজব পানীয় খাবারের সন্ধান মিলল নদীয়ার রানাঘাটে
দক্ষিণ বঙ্গে (কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া প্রভৃতি জেলা) আজ শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮-৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে, আর সর্বনিম্ন ১৫-১৭ ডিগ্রি। ভোরবেলা হালকা কুয়াশা থাকতে পারে, বিশেষ করে নদীতীরবর্তী এলাকায়।
দিনের বেলা রোদ উঠবে, হালকা গরম অনুভূত হবে। আর্দ্রতা ৪০-৬৫ শতাংশের মধ্যে থাকবে, যা ফেব্রুয়ারির জন্য স্বাভাবিক। কোনো বৃষ্টি বা ঝড়ের সম্ভাবনা নেই। আগামী ২-৩ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তন না হলেও পরবর্তী কয়েকদিনে ২-৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে।উত্তর বঙ্গে (দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা) আবহাওয়া একটু ঠান্ডা এবং শুষ্ক।
আরও পড়ুনঃ আবারও লক্ষ্য দক্ষিণ মেরু! Chandrayaan 4-এর অবতরণস্থলও চিহ্নিত
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫-২৮ ডিগ্রি, সর্বনিম্ন ১২-১৬ ডিগ্রি। ভোরের দিকে এক-দুটো জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে, যা দৃশ্যমানতা ২০০-৯৯৯ মিটার পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এতে সকালের যান চলাচলে সমস্যা হতে পারে। দিনের বেলা রোদ উঠবে, কিন্তু রাত নামলে আবার ঠান্ডা পড়বে। পাহাড়ি এলাকায় (দার্জিলিং, কালিম্পং) আরও ঠান্ডা অনুভূত হবে, সর্বনিম্ন ৮-১২ ডিগ্রি।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কমে যাওয়ায় উত্তর-পশ্চিমা শুষ্ক হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে, যা রাজ্যে শুষ্কতা বজায় রাখছে। কোনো নতুন ঝঞ্ঝা বা নিম্নচাপের সম্ভাবনা নেই। তবে কুয়াশার কারণে সকালে গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকতে হবে। বিমানবন্দর এবং রেলপথে কোনো বড় বিঘ্নের খবর নেই, কিন্তু ভোরের ফ্লাইটে দেরি হতে পারে।
সাধারণ মানুষের জন্য আজকের দিনটা আরামদায়ক। সকালে হালকা শীত, দিনে হালকা গরম ফেব্রুয়ারির শেষ দিকের মতো আবহাওয়া। যাঁরা বাইরে বেরোবেন, তাঁরা হালকা শাল বা জ্যাকেট নিয়ে বেরোতে পারেন, বিশেষ করে সকাল-সন্ধ্যায়। দক্ষিণ বঙ্গে দিনের বেলা রোদ উপভোগ করা যাবে, উত্তরে কুয়াশা সতর্কতা মেনে চলতে হবে।









