আজ ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া মোটামুটি শান্ত ও আরামদায়ক। আলিপুর আবহাওয়া দফতর-এর সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে কোথাও বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে, সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা বা ধোঁয়াশা দেখা যেতে পারে, যা দৃশ্যমানতা কমাতে পারে। দিনভর রোদের ছোঁয়া থাকবে, তবে সকাল-সন্ধ্যায় হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হবে।
আরও পড়ুনঃ স্বস্তির খবর শীতকালীন সবজির বাজারে; দাম তুলনামূলকভাবে কম এবং স্থিতিশীল
দক্ষিণবঙ্গে, যার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের মতো জেলাগুলো রয়েছে আজ সকালে কুয়াশা বা মিস্ট থাকতে পারে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ১৪-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, যা স্বাভাবিকের কাছাকাছি বা সামান্য নীচে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠবে ২৬-২৮ ডিগ্রির মধ্যে।
আর্দ্রতা মাঝারি থেকে কম থাকায় দিনের বেলা গরম লাগবে না, বরং আরামদায়ক রোদ উপভোগ করা যাবে। আগামী ২-৩ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও ২-৩ ডিগ্রি কমতে পারে, তারপর স্থিতিশীল থাকবে। কোনো ঝড়-বৃষ্টি বা তীব্র আবহাওয়ার সতর্কতা নেই।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় সকালে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।
আরও পড়ুনঃ মাথায় হাত পুলিশের! বহরমপুরে নাটকীয় পরিস্থিতি, কড়া নজরদারি এড়িয়ে পালাল বাংলাদেশি বন্দি
দৃশ্যমানতা ২০০-৫০০ মিটার পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যা যানবাহন চলাচলে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাপমাত্রা সামান্য কম, সর্বনিম্ন ১২-১৫ ডিগ্রির মধ্যে, সর্বোচ্চ ২৪-২৭ ডিগ্রি। পাহাড়ি এলাকায় শীতের অনুভূতি আরও বেশি, কিন্তু বৃষ্টি বা তুষারপাতের কোনো আশঙ্কা নেই। আগামী কয়েকদিন শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে, তবে কুয়াশার প্রভাব কমতে পারে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই শুষ্ক ও পরিষ্কার আবহাওয়া আগামী ৭-১০ দিন চলতে পারে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় সকালের কুয়াশা থাকবে, যা যাতায়াতের সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে দিনের বেলা রোদ উজ্জ্বল থাকলেও সকাল-সন্ধ্যায় হালকা শীতের ছোঁয়া থাকবে যা ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ধীরে ধীরে কমে যাবে।শহরবাসীদের জন্য আজকের দিনটা বেশ আরামদায়ক। অফিস-কাজে বেরোলে সকালে হালকা শাল বা জ্যাকেট নেওয়া যেতে পারে, দুপুরে রোদে হাঁটলে গরম লাগবে না।





