রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার (Sashi Panja) ও যুবসাথী প্রকল্পের জন্য। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বসেছে সরকারি ক্যাম্প। সকাল হতেই সেই ক্যাম্পগুলিতে দেখা গেল দীর্ঘ লাইন।
আরও পড়ুনঃ ‘Ready Steady Go’; Zomato-Swiggy-কে কড়া টক্কর Flipkart-এর
বেকার যুবক যুবতীরা ভোর থেকেই দাঁড়িয়ে পড়েছেন আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার আশায়। কারও হাতে এমএ পাশের সার্টিফিকেট, কেউ বিএ বা বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন উচ্চশিক্ষিত বহু তরুণ-তরুণীর উপস্থিতি চোখে পড়েছে ক্যাম্প চত্বরে।
সরকারি উদ্যোগে এক ছাদের তলায় একাধিক প্রকল্পের আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাশাপাশি যুবসাথী প্রকল্প ঘিরেও আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। বহু আবেদনকারী জানান, দীর্ঘদিন ধরে চাকরির চেষ্টা করেও সফল হননি। কেউ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কেউ অস্থায়ী কাজ করে সংসার সামলাচ্ছেন। তাঁদের কথায়, সাময়িক আর্থিক সহায়তা অন্তত কিছুটা ভরসা জোগাবে।
আরও পড়ুনঃ কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৩১ ডিগ্রি! শিবরাত্রিতে শীতের ইতি বঙ্গে
এই বেকার ভাতা নিয়েই অবশ্য রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিরোধী দলগুলির তরফে কটাক্ষ করে বলা হয়েছে, ভাতা দিয়ে বেকার সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাঁদের দাবি, স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি করাই হওয়া উচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তবে এই সমালোচনার জবাবে ভিন্ন সুর শোনা গেল রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজার কথায়।
মন্ত্রী শশী পাঁজা স্পষ্ট ভাষায় জানান, মুখ্যমন্ত্রী বেকার যুবসমাজের মানসিকতা ও চাহিদা যথাযথভাবে বুঝতে পেরেছেন। তাঁর কথায়, “ভালও যেমন লাগছে, তাঁদের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও আছে। ইতিমধ্যে মানুষ আসতে আরম্ভ করেছেন। তাঁরা ফর্ম তুলবেন, এই প্রকল্প নিয়ে জানবেন ফলে বোঝাই যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা ভেবেছেন এটা সত্যিই যুবদের পালস স্পর্শ করেছে। তাই আমরা তাড়াতাড়ি চাইছি এই প্রকল্প দ্রুত চালু হোক।”









