রবীন ভট্টাচার্য। পুরো নাম রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। ব্যারাকপুর কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক। হাইকোর্টের আইনজীবী সংগঠনেরও সদস্য। দুঁদে উকিল এখন জেলে। গারদে মক্কেলদের সামনে সব হাওয়া ফুস। সূত্রের খবর, মক্কেলদের সামনে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছেন তৃণমূলের আইনজীবী কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুনঃ সাধারণ মানুষের মনে ভয় এবং অসহায়ত্ব! বিপ্লবীদের হাতে আটক সেনাবাহিনীর ১৩ জওয়ান
ব্যারাকপুরের তৃণমূল কাউন্সিলরের লাথি খেয়ে প্রতিবাদী বৃদ্ধের প্রাণ গিয়েছে। সেই কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। সোমবার তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায় আদালত।
ব্যারাকপুরের সংশোধনাগারে যেতেই নিজের মক্কেলদের মুখোমুখি হতে হয় রবীন ভট্টাচার্যকে। তারপরেই বিপত্তি। উকিলের আজব কীর্তি। একেবারে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেললেন। তাও আবার জেলবন্দিদের ভয়ে।
আরও পড়ুনঃ কাতারে কাতারে মানুষ অসুস্থ! নিউটাউনের সাপুরজি অভিজাত আবাসনে ভয়াবহ পরিস্থিতি
কিন্তু কেন এমন হল? ব্যারাকপুরের বাঘা উকিল বলে পরিচিত রবীন ভট্টাচার্যের মক্কেলের অভাব নেই। জামিন পাইয়ে দেওয়ার নামে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। কিন্তু সেই সব অভিযুক্তদের দিন কাটছে গারদের মধ্যেই। এ ছাড়া মক্কেলদের পরিবারের সঙ্গেও নাকি অনেক দুর্ব্যবহার করেছেন।জেলের মধ্যে সেই উকিলকে হাতে পেয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেননি সেই সব জেলবন্দি মক্কেলরা। ভয়ে তখন রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের বুক কাঁপতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, পা কাঁপছিল রবীন ভট্টাচার্যের। তারপর প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেন।
ব্যারাকপুরের মণিরামপুরের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। কাছেই ব্যারাকপুরের সংশোধনাগার। সেখানে নাকি তাঁকে রাখেনি কতৃপক্ষ। নিরাপত্তার কারণে দমদম সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। বাঘা উকিলের নিরাপত্তায় বাড়তি সতর্কতাও নেওয়া হয়েছে। কারণ, সেই সংশোধনাগারেও রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের মক্কেল থাকতে পারে। সেই কারণে দমদম সংশোধনাগারের সেলের মধ্যে রাখা হয়েছে। ব্যারাকপুরে এই সেল-সুবিধা নেই। তাই নিজের এলাকায় থাকতে পারছেন না রবীন্দ্রনাথ। তবে তিনি কতটা ব্যারাকপুরে থাকতে আগ্রহী সেটাও একটা বড় প্রশ্ন।









