spot_img
Wednesday, 18 February, 2026
18 February
spot_img
Homeদক্ষিণবঙ্গBhangar: ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঝলসে গেল ৪ শিশু

Bhangar: ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঝলসে গেল ৪ শিশু

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটকপুকুর থেকে চুটকির মোড় পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

রাস্তার ধারে খেলছিল তারা। আচমকা পাশে রাখা রাসায়নিক ভরা ড্রামে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের জেরে আগুনে দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হল চার নাবালক। অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয় এক নাবালক। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে। আহত নাবালকদের মধ্যে ৩ জনকে কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  

আরও পড়ুনঃ ‘একলা চলো’ নীতি প্রদেশ কংগ্রেসের; পাহাড়ের তিন বিধানসভা আসন ঘিরে দোলাচলে কংগ্রেস

ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার পিচ রাস্তার মেরামতির কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে শুরু হয়েছে রাস্তা সংস্কারের কাজ। মঙ্গলবার ওই রাস্তায় প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল (এলডিও) বোঝাই একটি ড্রাম পড়ে ছিল। ড্রামের পাশেই খেলছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী চার পড়ুয়া। হঠাৎই বিকট শব্দে ফেটে যায় ড্রামটি। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একজন শিশু মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। বাকি তিনজনও কমবেশি দগ্ধ ও আহত হয়। দহনযন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক নাবালক পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আহত শিশুদের নাম সাদিকুল মোল্লা, সামিউল মোল্লা, রায়হান মোল্লা এবং রিয়াজ হাসান মোল্লা। চারজনই স্থানীয় খড়গাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। দুর্ঘটনার পরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার করে তাদের নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সাদিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ মহাকালের পবিত্র নগরী উজ্জয়িনীতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! ছদ্মবেশে জাফর খান

ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন শওকত।

ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে কলকাতা পুলিশের বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে। রাস্তা মেরামতির কাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না, দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে এলাকায়।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন