spot_img
Saturday, 21 February, 2026
21 February
spot_img
HomeকলকাতাTMC Candidate: চমক R চমক! ঘাশফুল প্রার্থী তালিকা হবে 'ইয়ং', পালটাতে পারে...

TMC Candidate: চমক R চমক! ঘাশফুল প্রার্থী তালিকা হবে ‘ইয়ং’, পালটাতে পারে মন্ত্রীদের আসনও; ২৬-এর ভোটে তৃণমূলের ‘মেগা রিসেট’?

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল এবার ‘রিসেট’ কৌশলেই এগোচ্ছে

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ছাব্বিশের মহারণ যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা কেমন হবে? গুরুত্ব বাড়বে যুব নেতাদের? চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে রাজনৈতিক মহলে। এরই মধ্যে চতুর্থবার ক্ষমতায় আসতে রণকৌশল তৈরিতে ব্যস্ত রাজ্যের শাসকদল। আর সেই লক্ষ্যে কালীঘাটে বৈঠকে বসেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রায় দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই বৈঠকে প্রার্থী তালিকা নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘প্রতীক’ হারাচ্ছে প্রাক্তন শাসক! টিউশন টিচারের পরামর্শে চলছেন প্রতীক উর

বিধানসভা নির্বাচনে নীল নকশা

সূত্রের খবর, বুধবার ও বৃহস্পতিবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বড়সড় রদবদল হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল । সূত্রের দাবি, বৈঠক থেকে বেশ কিছু সম্ভাব্য প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। শাসকদলের প্রার্থী তালিকা এক প্রকার চূড়ান্ত। কারা এবার টিকিট পাচ্ছেন? এবারের তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বেশ কিছু চমক। শোনা যাচ্ছে, বাংলার এক বিখ্যাত গায়িকা ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী হতে পারেন । প্রার্থী হতে পারেন সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া এক অভিনেত্রীও। প্রবীণদের গুরুত্ব দিয়েও দলে নবীনদের তুলে আনার পক্ষে বারবার সওয়াল করতে দেখা গিয়েছে অভিষেককে। এবারের নির্বাচনে তার ছাপ কী দেখা যাবে? সূত্রের খবর, ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বহু নবীন প্রজন্মের মুখ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রের দাবি, সংখ্যাটা প্রায় চল্লিশ।

তবে শুধু নতুন মুখ নয়, প্রবীণদের ভূমিকাও পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না। বরং কিছু অভিজ্ঞ নেতাকে নির্বাচনী টিকিট না দিয়ে সংগঠনের দায়িত্বে রাখা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। এতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে কিনা, সেই প্রশ্ন উঠলেও দলীয় নেতৃত্বের দাবি, নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়েই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা হবে। এদিকে, একাধিক হেভিওয়েট মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র বদলের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের ইঙ্গিত, কৌশলগত কারণে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে নতুন আসনে প্রার্থী করা হতে পারে। ফলে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সব মিলিয়ে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল এবার ‘রিসেট’ কৌশলেই এগোচ্ছে-যেখানে নতুন মুখ, সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস এবং আসন সমীকরণ-সবকিছুই থাকছে ভোটের বড় রণনীতির অংশ হিসেবে।

আরও পড়ুনঃ শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সব জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়া; আগামী সপ্তাহে জেলায় জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

রাজ্যসভার লড়াই

বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যসভা নির্বাচন হতে চলে । সংসদের উচ্চকক্ষে তৃণমূলের তরফে কারা প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে । অতীতে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বর্তমান সাংসদদের কাউকে কী পুনরায় পাঠানো হবে, নাকি সম্পূর্ণ নতুন কাউকে দিল্লি পাঠানো হবে-তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। বলে রাখা ভালো, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর দিনেশ ত্রিবেদী, মৌসম বেনজির নূর এবং অর্পিতা ঘোষকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল । তবে পরবর্তীতে সমীকরণ বদলেছে । ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে দিনেশ ত্রিবেদী সাংসদ পদ ও দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন । তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে অবসরপ্রাপ্ত আমলা জহর সরকারকে পাঠিয়েছিল দল । কিন্তু আরজি কর-কাণ্ডের আবহে জহর সরকারও ইস্তফা দিলে সেই শূন্য আসনে বসানো হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে । এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এবার দল কাকে অগ্রাধিকার দেয়, সেটাই দেখার।

হাতিয়ার দোলযাত্রা উৎসব

রাজনৈতিক কৌশলের পাশাপাশি আসন্ন দোলযাত্রা উৎসব নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে শাসকদল তৃণমূলের । সূত্রের খবর, দোলযাত্রার দিনগুলিতে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । উৎসবের আবহে জনসংযোগ আরও নিবিড় করতে জেলা স্তরে কী কী কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা নিয়ে এই বৈঠকে রূপরেখা তৈরি হয়েছে । নিছক উৎসব নয়, বরং সাধারণ মানুষের মনের কাছাকাছি পৌঁছনোর একটা বড় মাধ্যম হিসেবে দোলযাত্রাকে ব্যবহার করতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব ।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন