মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং যুদ্ধের দামামা বাজার মাঝেই এক চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন ইরানের কূটনীতিবিদ। তিনি দাবি করবেন, আমেরিকা আসলে ভারতের বন্ধু নয়, বরং ওয়াশিংটন কৌশলগতভাবে ভারতের অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক উত্থানকে রুখে দিতে চায়। আর সেজন্যই আমেরিকা একাধিক যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিচ্ছে বলে দাবি করলেন ইরানের কূটনীিতিবদ। এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন বহু ভারতীয়, জানাল কেন্দ্র
ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, আমেরিকা মুখে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা বললেও তলে তলে ভারতের অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করছে।
ইরানের কূটনীতিবিদের মতে, এশিয়ায় ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং শক্তিশালী অর্থনীতি আমেরিকার একক আধিপত্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ভারতকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তার উন্নয়নকে সীমিত করতে আমেরিকা নানা ধরনের ভূ-রাজনৈতিক চাল চালছে।
আরও পড়ুনঃ আরও এক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত! দাবি পাক প্রেসিডেন্ট জ়ারদারির
সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন ‘আমেরিকার লক্ষ্য ইরান নয়। বরং ইরানের পরে অন্যান্য দেশে যাবে। অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বের সবথেকে দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠবে ভারত, চিন, রাশিয়া এবং আমেরিকাও। কিন্তু (বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী রাষ্ট্রের জায়গা) ভাগ করে নিকে চায় না আমেরিকা। ওরা চায় না যে ভারত বা চিন শক্তিশালী দেশ হয়ে উঠুক। ভবিষ্যতে সেই বিষয়টা আটকানোর জন্য ওরা প্রচুর যুদ্ধ বাঁধাচ্ছে।’
এমনিতে ইরানে যে ইজরায়েল ও আমেরিকা মিলিতভাবে হামলা চালিয়েছে, তার জেরে বিশ্ব বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ারও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও ভারত সরকার সূত্রে খবর, আপাতত তেলের দাম বাড়ছে না।সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ পুরী বলছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় ভারত পুরোপুরি প্রস্তুত। পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের গ্রাহকরা তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ঘাটতির সম্মুখীন হবেন না বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাতে অবশ্য উদ্বেগ কমছে না।









