spot_img
Friday, 20 March, 2026
20 March
Homeআন্তর্জাতিক নিউজIran: যুদ্ধের মাঝেই ১৯ বছর বয়সি কুস্তিগীর সহ ৩ জনকে প্রকাশ্যে ফাঁসি

Iran: যুদ্ধের মাঝেই ১৯ বছর বয়সি কুস্তিগীর সহ ৩ জনকে প্রকাশ্যে ফাঁসি

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১৯ মার্চ কুস্তিগীর সালেহ মহম্মদি এবং আরও দুই কুস্তিগীর সাঈদ দাভোদি এবং মেহেদি কাসেমিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

ইরানের কোম শহরে কট্টরপন্থী শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন ১৯ বছর বয়সি কুস্তিগীর। সেই কুস্তিগীরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল ইরানে। এরই সঙ্গে আরও দুই বিক্ষোভকারীকেও ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছে ইরানের শাসকরা। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১৯ মার্চ কুস্তিগীর সালেহ মহম্মদি এবং আরও দুই কুস্তিগীর সাঈদ দাভোদি এবং মেহেদি কাসেমিকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল? গত ৮ জানুয়ারি বিক্ষোভের সময় নাকি দুই পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছিল এই তিন কুস্তিগীর।

আরও পড়ুনঃ জরুরি পরিস্থিতির সামনে ভারত! অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিল কাতার

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, মহম্মদির বিরুদ্ধে ‘ঈশ্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার’ অভিযোগও আনা হয়েছে, যা ইরানে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে কোম শহরে একদল লোকের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং এই মামলায় বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। ইরান হিউম্যান রাইটস সংস্থাটির পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেছেন, নির্যাতন এবং চাপ দিয়ে অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং সেই স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলোকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ভিন্নমতকে দমন করাই এর লক্ষ্য ছিল।

আরও পড়ুনঃ ভারতের মাটিতে CIA shadow operation! কম খরচে বড় ক্ষতি

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, এই তিনজনকে আত্মপক্ষ তুলে ধরার পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়নি। বিচার প্রক্রিয়া এতটাই তাড়াহুড়ো করে সম্পন্ন করা হয়েছে যে, কোনও দৃষ্টিকোণ থেকেই এটিকে সুষ্ঠু বিচার হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। ইরানি ক্রীড়াবিদ ও মানবাধিকার কর্মী নিমা ফার একে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরান সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে খেলোয়াড়দের টার্গেট করছে। অ্যাথলিট ও বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বন্ধ না করা পর্যন্ত ইরানকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফার।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন