Thursday, 25 June, 2026
25 June
Homeউত্তরবঙ্গSiliguri: বিচ্ছিন্ন সিকিম-কালিম্পং, ভয়াবহ ধস সেবকে; বন্ধ জাতীয় সড়ক NH 10

Siliguri: বিচ্ছিন্ন সিকিম-কালিম্পং, ভয়াবহ ধস সেবকে; বন্ধ জাতীয় সড়ক NH 10

শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংগামী অন্যান্য রাস্তার পরিস্থিতি আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কুশল দাশগুপ্ত, শিলিগুড়িঃ

 বুধবার রাতভর পাহাড় ও সমতলে প্রবল বৃষ্টির জেরে ফের বড়সড় ধস নামল উত্তরবঙ্গে । বৃহস্পতিবার ভোররাতে শিলিগুড়ির নিকটবর্তী সেবক কালীমন্দির ও করোনেশন সেতুর মাঝামাঝি এলাকায় পাহাড় থেকে প্রচুর মাটি ও বিশাল আকৃতির পাথর ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর নেমে আসে । অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় ধস নামার কারণে শিলিগুড়ির সঙ্গে ডুয়ার্স, কালিম্পং এবং সিকিমের সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে । রাস্তার দু’দিকে আটকে পড়েছে শ’য়ে শ’য়ে যানবাহন । ফলে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে সমতলে ফিরতে থাকা বহু পর্যটক ।

আরও পড়ুনঃ নজিরবিহীন তাণ্ডবের সাক্ষী কলকাতা, পরপর বজ্রপাতে অস্থির কলকাতা; কলকাতা ও লাগোয়া শহরতলিতে জারি করা হল লাল সতর্কতা

ধসের খবর পেয়েই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা পরিষ্কারের কাজে হাত লাগান ‘ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড’ (NHIDCL)-এর কর্মীরা । সকালের দিকে ধসের প্রায় অর্ধেক অংশ সরিয়ে ফেলা সম্ভব হলেও, রাস্তার ওপর আটকে থাকা একটি বিশালাকার পাথর সরাতে গিয়ে বিপত্তি বাড়ে । পাথর ভাঙার কাজে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রটি হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ সাময়িক থমকে যায় এবং রাস্তা পরিষ্কারের প্রক্রিয়া আরও বিলম্বিত হয় । প্রশাসনের প্রাথমিক অনুমান ছিল, দুপুরের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যাবে ৷ তবে নতুন এই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সম্পূর্ণ ধস সরিয়ে রাস্তা পুরোপুরি সচল করতে আজ সারাদিনই সময় লেগে যেতে পারে ।

এদিকে, গত রাত থেকে একটানা ভারী বর্ষণের কারণে উত্তরবঙ্গের তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা, রায়ডাক ও মহানন্দার মতো প্রধান নদীগুলির জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ফুঁসছে । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গজলডোবার তিস্তা ব্যারেজ এবং মহানন্দা ব্যারেজের লকগেটগুলি নির্দিষ্ট সময় অন্তর খুলে দেওয়া হচ্ছে । তিস্তার নিম্ন অববাহিকায় ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে লাল সতর্কতা জারি করে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে । তবে স্বস্তির বিষয়, ১১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সারাইয়ের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে এবং দুধিয়া সেতু বাদে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংগামী অন্যান্য রাস্তার পরিস্থিতি আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে । তিস্তাবাজার সংলগ্ন নিচু এলাকাগুলিতে মাঝেমধ্যে জল জমলেও বৃষ্টি কমলেই তা নেমে যাচ্ছে । কিন্তু সিকিমের বিভিন্ন অংশে এখনও আবহাওয়া ও রাস্তার পরিস্থিতি বেশ বিধ্বস্ত ।

আরও পড়ুনঃ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ অক্ষরেখা; ঝড়বৃষ্টি কলকাতায় সহ জেলায় জেলায়

সেবকের এই ভয়াবহ ধসের জেরে জাতীয় সড়কের উভয় প্রান্তেই মাইলের পর মাইল দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে । ধস পুরোপুরি পরিষ্কার হওয়ার পরও এই বিপুল যানজট কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে । উদ্ভূত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটক এবং গাড়িচালকদের অত্যন্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । একইসঙ্গে, কোনও জরুরি যাত্রা শুরুর আগে রাস্তার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এবং সম্ভব হলে বিকল্প রুট ব্যবহার করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ।

 

 

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন