২২ বছর পর ফের উপপ্রধানমন্ত্রী? দিল্লির রাজনীতিতে জল্পনার ঝড়
অমিত না নীতীশ—দুই নাম ঘিরে সরগরম রাজধানী
তৃতীয় মোদি সরকারের দু’বছর পূর্ণ হতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনা তুঙ্গে। একই সঙ্গে বিজেপির সংগঠনেও বড় পরিবর্তন হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেই আবহেই নতুন করে সামনে এসেছে উপপ্রধানমন্ত্রী পদ নিয়ে চর্চা।
আরও পড়ুনঃ বিপদে হাত ছাড়তে ‘ওস্তাদ’ তৃণমূল! সুপরিকল্পিত ‘বিশ্বাসঘাতকতা’
২০০৪ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের পর থেকে দেশে আর কোনও উপপ্রধানমন্ত্রী নেই। শেষবার এই পদে ছিলেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। ফলে ২২ বছর পর পদটি ফের চালু হবে কি না, তা নিয়েই এখন জল্পনা বাড়ছে।
উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ সরাসরি সাংবিধানিক পদ নয়, মূলত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্বের ভিত্তিতে অতীতে এই পদ দেওয়া হয়েছে। জোটের ভারসাম্য, দলের অন্দরের ক্ষমতার সমীকরণ বা প্রবীণ নেতাকে মর্যাদা দেওয়ার জন্যই সাধারণত এই পদ ব্যবহার হয়েছে।
বিজেপি সূত্রে জল্পনা, মন্ত্রিসভার রদবদল ও সংগঠনের বদল একসঙ্গে মিলিয়েই হতে পারে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে কয়েকজন নেতা সংগঠনে যেতে পারেন, আবার নতুন মুখও মন্ত্রী হতে পারেন। অন্তত কয়েকজন সাংসদ নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা।
আরও পড়ুনঃ টার্গেট ভারত কেশরী, সুকিয়া স্ট্রিটে উন্মোচনের আগেই শ্যামপ্রসাদের মূর্তিতে ব্যাপক ভাঙচুর
উপপ্রধানমন্ত্রী পদের সম্ভাব্য মুখ হিসেবে দু’টি নাম ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। প্রথম নাম অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির সংগঠনে তাঁর প্রভাব দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাঁর দায়িত্ব আরও বাড়তে পারে বলে জল্পনা।
দ্বিতীয় নাম নীতীশ কুমার। বিহারের রাজনীতি থেকে জাতীয় স্তরে তাঁর ভূমিকা কী হবে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। জেডিইউ শিবিরের একাংশ চাইছে, নীতীশকে বড় জাতীয় দায়িত্ব দেওয়া হোক। তবে বিজেপি বা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।
ফলে প্রশ্ন একটাই—দেশ কি সত্যিই ২২ বছর পর উপপ্রধানমন্ত্রী পেতে চলেছে, নাকি সবটাই রাজনৈতিক কৌতূহল? উত্তর মিলবে মন্ত্রিসভার রদবদলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই।


