আপনি পশ্চিমবঙ্গের নতুন ‘গুন্ডাদমন আইন’ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইছেন, তাই আমি সংক্ষেপে মূল বিষয়গুলো তুলে ধরছি।
পশ্চিমবঙ্গে ‘গুন্ডাদমন আইন’ কার্যকরী হয়েছে সোমবার থেকে।
আরও পড়ুনঃ ‘অভিষেকের জন্যই দলের আজ এই অবস্থা’; সুর চড়ালেন রবীন্দ্রনাথ
আইনের মূল বিষয়বস্তু:
-
আইনের পূর্ণ নাম: ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ় অ্যাক্ট, ২০২৬।
-
প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন: প্রশাসন বিনা বিচারে সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত কাউকে আটক রাখতে পারবে যদি মনে হয় সে জননিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।
-
এলাকাছাড়া (এক্সটার্নমেন্ট অর্ডার): দাগী অপরাধী বা গুন্ডাকে অনধিক ১ বছরের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা বা জেলা থেকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার বা ডিআইজি-কে দেওয়া হয়েছে।
-
জামিন-অযোগ্য ধারা: আইনের আওতাধীন অপরাধে গ্রেফতারকৃতদের জামিন দেওয়া কঠিন করা হয়েছে।
-
সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি: সমাজবিরোধী বা সংগঠিত অপরাধ থেকে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি করা যাবে।
-
গুন্ডা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সংজ্ঞা: সিন্ডিকেটরাজ, তোলাবাজি, গায়ের জোরে জমি দখল, অবৈধ বালি উত্তোলন, অবৈধ খনি, সাইবার অপরাধ ও বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতি অন্তর্ভুক্ত।
-
অপরাধ ও অশান্তি রোধ: সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস এবং হিংসাত্মক আন্দোলনের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি।
-
সংশ্লিষ্ট আইন: ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’, যা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ‘ক্লেম কমিশন’ গঠন করবে।
আরও পড়ুনঃ তৈরি হবে রিং রোড, জুড়বে কলকাতা সহ ৪ জেলা
আইনের উদ্দেশ্য:
আইনশৃঙ্খলা শক্তিশালী করা, অপরাধীদের ভীতি দেওয়া এবং সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
২০১৯ সালের সিএএ-নির্ভর আন্দোলনের সময় ঘটানো সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস ও অশান্তি রোধে এই আইন প্রণয়ন ও কার্যকর করা হয়েছে।


