রবিবার রাতে বারুইপুরে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বারুইপুর পশ্চিমের বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট প্রার্থী ছিলেন।
-
পটভূমি:
- ৫ জুলাই বারুইপুরের সূর্যপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের পর ওই এলাকায় ব্যাপক অশান্তি শুরু হয়।
- বিক্ষোভ, অবরোধ, ভাঙচুর ও পুলিশ কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে।
- সন্দেহজনক অবস্থায় এক যুবক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়, পরে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন।
- লাহেক ঘটনার দিন বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে অশান্তিতে ইন্ধনের অভিযোগ ওঠে।
-
আরও পড়ুনঃ সমাজবিরোধীরা সাবধান; বঙ্গে কার্যকর হয়ে গেল ‘গুন্ডাদমন আইন’
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে গিয়ে বলেছিলেন, ভোটে প্রত্যাখ্যাতদের উস্কানিতেই অশান্তি ছড়িয়েছে।
- সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী দাবি করেছেন, লাহেককে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানি করা হচ্ছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে।
-
আইনি ব্যবস্থা:
- লাহেকের বিরুদ্ধে খুন, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, দাঙ্গা, সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, জনসম্পত্তি নষ্ট, ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, অপরাধে প্ররোচনা সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
- রেলওয়ে আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে।
- মোট ৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে অশান্তির ঘটনায়।
- সোমবার লাহেককে বারুইপুর মহকুমা আদালতে হাজির করা হবে।
- পুলিশ সূত্রের খবর, তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
-
আরও পড়ুনঃ মাঝরাতে ব্যাংককের পাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি:
- নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের সঙ্গে জড়িত এবং অশান্তি পাকানোদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।


