Thursday, 13 August, 2026
13 August
Homeআন্তর্জাতিক নিউজFake Brides: বিয়ের জন্য হাহাকার; বউ খুঁজতে গিয়ে সর্বস্বান্ত যুবকেরা

Fake Brides: বিয়ের জন্য হাহাকার; বউ খুঁজতে গিয়ে সর্বস্বান্ত যুবকেরা

বিয়ের আশা ছেড়ে দেওয়া ওয়াং একটি ম্যারেজ এজেন্সির বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

চিনে দীর্ঘদিনের কঠোর ‘এক সন্তান নীতি’ (One-child policy) এবং পুত্রসন্তানের প্রতি সামাজিক পক্ষপাতের জেরে বর্তমানে নারী ও পুরুষের অনুপাতে চরম বৈষম্য তৈরি হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চিনে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি বেশি। উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ার এই সংকটকে কাজে লাগিয়ে দেশে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এক শ্রেণির সংঘবদ্ধ ‘ভুয়ো কনে’ (Fake Brides) ও প্রতারক ম্যারেজ এজেন্ট চক্র।

আরও পড়ুনঃ লাদাখের লেহে ৫.৫ মাত্রার মাঝারি ভূমিকম্প

প্রতারণার ফাঁদ: যেভাবে পকেট ফাঁকা হচ্ছে পাত্রদের

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’-র এক বিশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিসঙ্গ পুরুষদের পাত্রী খুঁজে দেওয়ার নামে এই প্রতারণার জাল ছড়ানো হচ্ছে:

  • আলাপ ও মিথ্যা আশ্বাস: বিবাহ সংস্থাগুলি উপযুক্ত পাত্রী মিলিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল পরিমাণ কমিশন বা ফি দাবি করে।

  • টাকা হাতানোর কৌশল: পাত্রী পছন্দ হওয়ার পর ‘কনেপক্ষকে উপহার’ (Bridal Price) কিংবা বিয়ের আনুষঙ্গিক খরচের নামে পাত্রের কাছ থেকে ধাপে ধাপে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়।

  • উধাও ‘কনে’: টাকা হাতে পাওয়ার পরেই হঠাৎ করে ফোন বন্ধ করে, মেসেজের যোগাযোগ ছিন্ন করে উধাও হয়ে যান কথিত কনে ও এজেন্টরা। ফলে বিয়ে তো হয়ই না, উল্টে জীবনের জমানো সঞ্চয় হারিয়ে নিঃস্ব হন পাত্র।

আরও পড়ুনঃ নজিরবিহীন পরিস্থিতি, আজ ‘ওয়াশ আউট’; অনড় দু’পক্ষই

৩৭ বছর বয়সি ওয়াং ঝুয়াং-এর মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা

এই প্রতারণার এক অন্যতম শিকার চিনের ৩৭ বছর বয়সি বাসিন্দা ওয়াং ঝুয়াং:

  • ৪২ লক্ষ টাকার ক্ষতি: বিয়ের আশা ছেড়ে দেওয়া ওয়াং একটি ম্যারেজ এজেন্সির বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেন। পাত্রী দেখা ও বিয়ের আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ তিনি সংস্থাটিকে প্রায় ৪২ লক্ষ ভারতীয় টাকা পরিশোধ করেন।

  • দ্রুত বিয়ের বিয়ে ও আসল সত্যি: মাত্র ৮-১০ মিনিটের মধ্যে ৪-৫ জন মহিলার সাথে দ্রুত দেখা করিয়ে এক নারীর সাথে তাঁর বিয়ে দেওয়া হয়।

  • ঋণ ও গোপন তথ্য প্রকাশ: বিয়ের কয়েক মাস পর পাওনাদারদের ফোন পেয়ে ওয়াং জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রীর আগে আরও ৩টি বিয়ে হয়েছিল, ৩টি সন্তান রয়েছে, তিনি ভারী ঋণে জর্জরিত এবং মারাত্মক যৌনরোগে আক্রান্ত।

  • অফিস গায়েব: প্রতারিত ওয়াং বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে টাকা ফেরত দাবি করলে স্ত্রী তা অস্বীকার করেন। পরে প্রতারক এজেন্সির ঠিকানায় গিয়ে ওয়াং দেখেন, সেই অফিসটি রাতারাতি উধাও হয়ে গিয়েছে।

চিনের গ্রামে-গঞ্জে ও শহরে বর্তমানে এই জাতীয় ‘ম্যারেজ ফ্রড’ এক সামাজিক মহামারীর আকার ধারণ করেছে, যা লক্ষ লক্ষ নিঃসঙ্গ পুরুষের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন