Monday, 31 August, 2026
31 August
HomeদেশBiscuit: ‘আটার বিস্কুট’ বলে গেলানো হচ্ছে ময়দা! বিস্কুট কোম্পানিকে ১ লাখ টাকা...

Biscuit: ‘আটার বিস্কুট’ বলে গেলানো হচ্ছে ময়দা! বিস্কুট কোম্পানিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা সিসিপিএ-র

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ইনফ্লুয়েন্সার প্যাকেটজাত খাবারের বিভ্রান্তিকর লেবেল ও প্রচার নিয়ে একটি সতর্কতামূলক ভিডিও প্রকাশ করেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি:

স্বাস্থ্যকর (Healthy), প্রাকৃতিক (Natural) বা জৈব (Organic) খাবারের নামে বাজারে বিক্রি হওয়া খাদ্যপণ্যের আসল উপাদানের সত্যতা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠল। প্যাকেট বা মোড়কে ‘হোল হুইট’ বা আটার তৈরি বিস্কুট হিসেবে প্রচার করা হলেও, ভেতরে মূল উপাদান হিসেবে রয়েছে ক্ষতিকারক ময়দাই! এমনই এক বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট বিস্কুট প্রস্তুতকারক সংস্থাকে ১ লাখ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিল সেন্ট্রাল কনজিউমার প্রোটেকশন অথরিটি (CCPA)

আরও পড়ুনঃ সব রেডি, আগামীকাল সকাল ৬টায় ছাঁটাই ইমেল! আতঙ্কের প্রহর গুনছে কর্মীরা; আপনিও কি আছেন এর মধ্যে জেনে নিন

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সিসিপিএ-র নজর

  • ইনফ্লুয়েন্সারের ভিডিও: সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ইনফ্লুয়েন্সার প্যাকেটজাত খাবারের বিভ্রান্তিকর লেবেল ও প্রচার নিয়ে একটি সতর্কতামূলক ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে স্বাস্থ্যকর বলে দাবি করা একাধিক খাবারের উপাদান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, যার মধ্যে একটি নামী ব্র্যান্ডের ‘ম্যারি বিস্কুট’-এর বিষয়টিও উঠে আসে।

  • সিসিপিএ-র পর্যবেক্ষণ: ভিডিওটি সামনে আসতেই সিসিপিএ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করে।

আরও পড়ুনঃ ‘গ্রেভ অব দ্য ফায়ারফ্লাইস’-এর যেন জীবন্ত দৃশ্য; হিরোশিমা মনে করাল নেপাল

প্যাকেজিংয়ের অসচ্ছতা ও ‘ডার্ক প্যাটার্ন’

বিস্কুটের মোড়ক পরীক্ষা করে সিসিপিএ যে সমস্ত চমকপ্রদ তথ্য পেয়েছে:

বিষয় মোড়কের আসল উপাদান ও বাস্তবতা
মোড়কের সামনের দাবি প্যাকেটের সামনে বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে ‘Whole Wheat Marie Biscuits’ এবং গমের ছবি দেওয়া রয়েছে।
ভেতরের আসল উপাদান প্যাকেটের পেছনে লেখা উপাদানের তালিকা অনুযায়ী, বিস্কুটটিতে আটা রয়েছে মাত্র ১৯.৫ শতাংশ, যেখানে ময়দার পরিমাণ ৫২ শতাংশ
পড়ার অযোগ্য ডিসক্লেমার নীল ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর অত্যন্ত ছোট সাদা হরফে উপাদান সংক্রান্ত শর্তাবলী বা ডিসক্লেমার লেখা ছিল, যা সাধারণ ক্রেতাদের চোখে পড়া প্রায় অসম্ভব।

সিসিপিএ-র কমিশনার নিধি খানে এবং কমিশনার অনুপম মিশ্র তাঁদের নির্দেশে স্পষ্ট জানান, প্যাকেটের গায়ে অতি ক্ষুদ্র অক্ষরে কোনো বার্তা লিখে বড় ভুল বা মিথ্যা বিভ্রান্তি ঢাকা যায় না। এটি ক্রেতাদের আসল তথ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করে এবং ভুল সিদ্ধান্তে চালিত করে, যা এক ধরনের অসৎ পদ্ধতি বা ‘ডার্ক প্যাটার্ন’ (Dark Pattern)

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন