Wednesday, 26 August, 2026
26 August
HomeকলকাতাMother Teresa: মানবসেবার মহাকাব্য! সেবার দীপশিখা জ্বালিয়ে অনুপ্রেরণার উৎস

Mother Teresa: মানবসেবার মহাকাব্য! সেবার দীপশিখা জ্বালিয়ে অনুপ্রেরণার উৎস

তিনি যে সেবার দীপশিখা জ্বালিয়ে গিয়েছিলেন, তা আজও বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণার উৎস।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আজ ২৬ আগস্ট মাদার টেরেসার ১১৬তম জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। আপনার লেখা সারসংক্ষেপটিতে তাঁর ত্যাগে ভরা বর্ণময় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বাঁকগুলো—স্কোপিয়ে (মেসিডোনিয়া) থেকে আয়ারল্যান্ড হয়ে কলকাতায় আগমন, শিক্ষকতা ছেড়ে বস্তির অনাথদের সেবায় আত্মনিয়োগ এবং পরবর্তীতে ‘মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’ প্রতিষ্ঠা—খুবই আবেগঘন ও সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.); মহানবীর মহান আদর্শে সাম্য ও শান্তির সমাজ গড়ার আহ্বান

মাদার টেরেসার জীবনের কিছু মূল স্তম্ভ এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এক নজরে:

মানবসেবায় ঐতিহাসিক মাইলফলক

  • ১৯৪৮: লরেটো কনভেন্টের শিক্ষকতা ছেড়ে নীল পাড়ের সাদা সুতি শাড়ি পরেন এবং কলকাতার বস্তিতে প্রথম স্বাধীন সেবা কার্যক্রম শুরু করেন।

  • ১৯৫০: কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’ (Missionaries of Charity)।

  • ১৯৫২: কালীঘাটে মুমূর্ষু ও গৃহহীন মানুষের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন প্রথম আশ্রয়স্থল ‘নির্মল হৃদয়’।

  • ১৯৫৫: অনাথ ও পরিত্যাগ করা শিশুদের জন্য গড়ে তোলেন ‘নির্মল শিশু ভবন’।

  • ১৯৫৭: কুষ্ঠ রোগীদের সুচিকিৎসা ও সম্মানজনক বসবাসের জন্য গড়ে তোলেন ‘শান্তিনগর’ ও অন্যান্য পুনর্বাসন কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ প্রবীণ থেকে নবীন; শতবর্ষে কলকাতা আকাশবাণী

প্রধান আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সম্মাননা

  • পদ্মশ্রী (১৯৬২): ভারতীয় নাগরিকদের বাইরে প্রথম সারির সম্মান হিসেবে ভারত সরকার কর্তৃক প্রদান।

  • রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার (১৯৬২): আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ।

  • নোবেল শান্তি পুরস্কার (১৯৭৯): বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্য ও দুর্দশা দূরীকরণে অসামান্য অবদানের জন্য।

  • ভারতরত্ন (১৯৮০): ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান।

  • ক্যানোনাইজেশন / সন্ত ঘোষণা (২০১৬): ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে পোপ ফ্রান্সিস তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত তেরেসা’ (Saint Teresa of Calcutta) হিসেবে ঘোষণা করেন।

অনাথ, অসুস্থ ও পরিত্যক্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাঁদের মানবীয় মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে তিনি যে সেবার দীপশিখা জ্বালিয়ে গিয়েছিলেন, তা আজও বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণার উৎস।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন