বিনোদন প্রতিনিধি:
আগামী ২৬ আগস্ট বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে সুপারস্টার যশ অভিনীত বহুপ্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক’ (Toxic)। ছবিটির ট্রেলার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অতিরিক্ত হিংস্রতা ও একাধিক সাহসী দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোনোপ্রকার কাটছাঁট ছাড়াই কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের (CBFC) ছাড়পত্র পেয়ে গেল ছবিটি।
সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন
-
ছবিটির দৈর্ঘ্য ও রেটিং: গীতু মোহনদাস পরিচালিত কন্নড় ও ইংরেজি ভাষার এই ছবিটির মোট সময়সীমা ৩ ঘণ্টা ১২ মিনিট। ছবিতে ‘এ’ (Adults Only) সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে।
-
যেসব সামান্য বদল করা হয়েছে: পুরো সিনেমা জুড়ে কোনো দৃশ্য কাটা হয়নি। শুধুমাত্র কন্নড় সংস্করণ ও ইংরেজি সাবটাইটেলে দুটি শব্দ এবং বাক্যাংশ মিউট (Mute) করা হয়েছে। পাশাপাশি বিধিবদ্ধ ধূপমান ও মদ্যপান বিরোধী সতর্কবার্তা যোগ করার নির্দেশ দিয়েছে সিবিএফসি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক ও নেটিজেনদের তোপ
‘ধুরন্ধর’ বা অন্য হলিউড ছবিগুলির (যেমন স্পাইডারম্যান বা সুপারম্যান) ক্ষেত্রে সামান্য চুম্বনের দৃশ্যেও কাঁচি চালানোর নজির থাকলেও, ‘টক্সিক’-এর ক্ষেত্রে সেন্সরের এমন শিথিল মনোভাব নিয়ে সরব হয়েছেন নেটিজেনরা:
-
এক নেটিজেন কটাক্ষ করে লেখেন, “যখনই সিনেমায় নারীদের বস্তু বা পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তখনই সেন্সর বোর্ড অন্ধ হয়ে যায়।”
-
অন্য একজন লেখেন, “স্পাইডারম্যান বা সুপারম্যানে চুমুর দৃশ্য থাকলেই সেন্সরের যত সমস্যা, কিন্তু চরম হিংস্রতার ক্ষেত্রে বাধা কোথায়?”
আরও পড়ুনঃ কলকাতার বাজার আগুন; আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে মধ্যবিত্ত
যশের স্পষ্ট বার্তা
বিতর্কের মাঝে অভিনেতা ও ছবির সহ-লেখক যশ ‘আপ কি আদালত’ অনুষ্ঠানে এসে সাফ জানান যে, এটি শিশুদের জন্য তৈরি ছবি নয়।
“বাচ্চাদের এই ছবি দেখা উচিত নয়, তাদের বাড়িতে থাকা উচিত। প্রাপ্তবয়স্করা জানেন কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। ছবিটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং এর পেছনে একটি গভীর গল্প রয়েছে।”
কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কোরেশি, রুক্মিণী বসন্ত ও তারা সুতারিয়া অভিনীত এই মেগা বাজেট ছবিটি ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে।


