Monday, 28 September, 2026
28 September
HomeকলকাতাCPI(M): জেন জি-কে ছুঁতেই পারছে না সিপিএম; গোলকধাঁধায় সিপিএম! 'এক নম্বর পার্টি...

CPI(M): জেন জি-কে ছুঁতেই পারছে না সিপিএম; গোলকধাঁধায় সিপিএম! ‘এক নম্বর পার্টি চিঠি’-তে উদ্বেগ ‘কাস্তে-হাতুরি-তারা’-র

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে অকুতোভয় আন্দোলন ও সামাজিক সক্রিয়তায় নজর কাড়া 'জেন জি' (Gen Z) বা যুবসমাজকে নিজেদের সংগঠনে টেনে আনতে সিপিএম চূড়ান্ত ব্যর্থ।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ রাজনৈতিক প্রতিনিধি, কলকাতা:

রাজ্য সংগঠনে যুব প্রজন্মের অংশগ্রহণের চিত্র যে অত্যন্ত করুণ, এবার তা নিয়ে আর কোনো রাখঢাক রাখল না আলিমুদ্দিন। সাম্প্রতিককালে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, শতরূপ ঘোষ, দীপ্সিতা ধর কিংবা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একঝাঁক তরুণ মুখকে সামনে এনে সিপিএম (CPM) নিজেদের ‘যুবনির্ভর’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও, বাস্তবের খতিয়ান বলছে একদম অন্য কথা। সম্প্রতি প্রকাশিত রাজ্য সিপিএমের ‘এক নম্বর পার্টি চিঠি’-তে স্পষ্ট স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে যে, দলে ৩০ বছরের কম বয়সি সদস্যের সংখ্যা আশঙ্কাজনক স্তরে নেমে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ থেকে পূর্বে বিস্তার! বঙ্গে কার্যালয় খুলল তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দল ‘টিভিকে’

পরিসংখ্যানের আলোয় সাংগঠনিক দৈন্য

দলীয় নথির ৩ নম্বর পৃষ্ঠায় আলিমুদ্দিন উল্লেখ করেছে, রাজ্য পার্টিতে ৩০ বছরের কম বয়সি সদস্যের অনুপাত দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪.৫৫ শতাংশে। সহজ কথায়, প্রতি ১০০ জন সিপিএম সদস্যের মধ্যে ৩০ বছরের কম বয়সি সমর্থক বা কর্মীর সংখ্যা ৫ জনও নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে অকুতোভয় আন্দোলন ও সামাজিক সক্রিয়তায় নজর কাড়া ‘জেন জি’ (Gen Z) বা যুবসমাজকে নিজেদের সংগঠনে টেনে আনতে সিপিএম চূড়ান্ত ব্যর্থ। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা কিংবা তরুণ মুখদের ভোটের ময়দানে নামানো বস্তুত এক প্রকার ‘চকচকে মোড়ক’ বা রাংতার মতো কাজ করেছে, যা দিয়ে ভেতরের প্রকৃত সংকটকে ঢেকে রাখা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুনঃ  সক্কাল সক্কাল দারুণ খবর! বাতিল টানা ৩ দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘট

নথিতে উঠে আসা অন্যান্য প্রধান সংকট

বয়সসীমার নিয়ম কড়াকড়ি করেও যে প্রবীণ ও নবীনদের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হয়নি, তা তো বটেই, পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যর্থতা কবুল করেছে আলিমুদ্দিন:

  • সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণি: তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST) এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে সংগঠনে যুক্ত করার ক্ষেত্রেও অনুকূল পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও হোঁচট খাচ্ছে দল।

  • ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল: দলের রাজ্যসম্পাদকমণ্ডলীর এক জ্যেষ্ঠ নেতার মতে, এই চরম খরা এক দিনে তৈরি হয়নি। এর কারণ খুঁজতে অন্তত ২০-২৫ বছর পিছিয়ে যেতে হবে। তৎকালীন সময়ে বহু যোগ্য ও সম্ভাবনাময় তরুণ-তরুণীকে অতিরিক্ত বাছবিচারের নামে সদস্যপদ না দেওয়ার যে ‘রোগ’ শুরু হয়েছিল, আজ তারই বিষময় ফল ভুগছে দল।

তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করার স্থায়ী ওষুধ কী এবং কীভাবে এই গোলকধাঁধা থেকে পার্টি বের হবে, তা নিয়ে এখন তীব্র উদ্বেগে সিপিএম নেতৃত্ব।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন