বিশেষ বিনোদন ও জাতীয় প্রতিনিধি, মুম্বই:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) আন্দোলনকে সমর্থন করে প্রকাশ্য বিক্ষোভে শামিল হওয়ার খেসারত দিতে হলো বলিউড তারকা আমির খানের ভাগ্নে তথা অভিনেতা ইমরান খানকে (Imran Khan)। মুম্বই পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিস’ বা ভারত ছাড়ার নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘সিজেপিকে টাকা দিচ্ছে মোদি-বিরোধী আমেরিকানরা’, বিস্ফোরক দাবি মেরি মিলবেনের
ঠিক কী ঘটেছিল?
সাম্প্রতিক সময়ে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (SIR) বিতর্ক এবং নির্বাচন কমিশন বিরোধী উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতির আঁচ এসে পড়ে মুম্বইয়েও।
-
আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে বিক্ষোভ: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।
-
অভিনেতার উপস্থিতি ও আটক: সেই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন ‘জানে তু ইয়া জানে না’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা ইমরান খান। প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেওয়ার পরেই মুম্বই পুলিশ তাঁকে অন্যান্য আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আটক করে।
আরও পড়ুনঃ বিপদ বাড়ল ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির; সমন পাঠাল আদালত
আইনি পদক্ষেপ ও নোটিসের নেপথ্য কারণ
পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও দেশের রাজনৈতিক প্রতিবাদ ও সংবেদনশীল আন্দোলনে একজন বিদেশি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সরব হওয়া আইনগতভাবে নিয়মের পরিপন্থী। সেই আইনি দিকটি বিবেচনা করেই মুম্বই পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ বা সংশ্লিষ্ট বিভাগ অভিনেতার বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ করেছে।
আগামী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিস ধরানোয় বলিপাড়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে চরম শোরগোল শুরু হয়েছে। একদিকে যখন দিল্লির রাজপথে ছাত্র আন্দোলন ও প্রিভিলেজ কমিটিতে বিরোধীদের তরজা চলছে, ঠিক সেই সময়ে মুম্বইয়ে এক প্রথম সারির অভিনেতার বিরুদ্ধে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপ গোটা পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলল।


