Thursday, 15 October, 2026
15 October
Homeদক্ষিণবঙ্গMedinipur: ৩২ হাজার টাকার গরু, দুধ দেয় মাত্র ৩ লিটার! প্রতারণার নালিশ;...

Medinipur: ৩২ হাজার টাকার গরু, দুধ দেয় মাত্র ৩ লিটার! প্রতারণার নালিশ; সঙ্গে গরু নিয়ে সোজা থানায় হাজির গোয়ালা

অভিনব অভিযোগ নিয়ে সটান থানায় গিয়ে হাজির হন এক গো-পালক।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

থানায় সাধারণত মানুষ আসেন চুরি, ছিনতাই, মারামারি কিংবা কোনো বড় অপরাধের অভিযোগ নিয়ে। কিন্তু পশ্চিম মেদিনীপুরের গুড়গুড়িপাল থানায় সম্প্রতি এমন এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে, যা শুনে প্রথমে হতবাক হয়ে যান খোদ পুলিশকর্মীরাও। গরু প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম দুধ দিচ্ছে—এই অভিনব অভিযোগ নিয়ে সটান থানায় গিয়ে হাজির হন এক গো-পালক।

আরও পড়ুনঃ চরম সতর্কতা জারি! সমুদ্রের জল সরে গেল দেড় কিলোমিটার! তাজপুরের আকস্মিক ঘটনায় বিস্মিত স্থানীয় ও মৎস্যজীবীরা

ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেদিনীপুর সদর ব্লকের গুড়গুড়িপাল থানার সনকাডাঙা এলাকার বাসিন্দা লক্ষ্মণ যাদব পেশায় কৃষক এবং গো-পালক। তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে গরুর দুধ বিক্রি করে সংসার চালান।

  • গরু ক্রয় ও বিক্রেতার প্রতিশ্রুতি: এর কিছুদিন আগে উপরডাঙা গ্রামের এক বাসিন্দার কাছ থেকে ৩২ হাজার টাকা দিয়ে একটি অন্তঃসত্ত্বা গরু কিনেছিলেন লক্ষ্মণ। সেই সময় বিক্রেতা তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, গরুটি প্রসবের পর দিনে অন্তত ৮ থেকে ১০ লিটার করে দুধ দেবে।

  • বাস্তব চিত্র ও ক্ষোভ: কিন্তু গরুটি বাচ্চা প্রসব করার পর দেখা যায়, সেটি মোটে ৩ লিটার দুধ দিচ্ছে। গরুর পেছনে সমস্ত নিয়ম মেনে পরিচর্যা ও খাবার দাবারের কোনো খামতি না রাখলেও কাঙ্ক্ষিত দুধ না মেলায় মাথায় হাত পড়ে ওই গো-পালকের। আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় ও প্রতারিত হয়ে তিনি সোজা থানার দ্বারস্থ হন।

আরও পড়ুনঃ পুরীর পরিচয় কেবল জগন্নাথ সংস্কৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; ওড়িশার শাক্ত ও তান্ত্রিক ঐতিহ্যের পুরীর প্রাচীন সপ্তমাতৃকা ও চামুণ্ডা বিগ্রহ

পুলিশের মধ্যস্থতায় সমাধান

রাতে থানায় গিয়ে লক্ষ্মণবাবু যখন ডিউটি অফিসারকে জানান যে তাঁর গরু কম দুধ দিচ্ছে এবং তার একটা কিছু বিহিত করা দরকার, তখন প্রথমে থানায় কর্মরত পুলিশকর্মীরা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান। প্রথমে তাঁকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি থানা থেকে নড়তে চাননি।

শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই গরুর বিক্রেতাকে থানায় ডেকে পাঠায় পুলিশ। দুই পক্ষকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর ঠিক হয়, বিক্রেতা লক্ষ্মণ যাদবকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ২ হাজার টাকা ফেরত দেবেন। সেই টাকা হাতে পাওয়ার পর থানা ছাড়েন ওই গো-পালক। পুলিশের হস্তক্ষেপে সমস্যার সাময়িক সমাধান হলেও, এই ‘দুধ-মামলা’ ঘিরে গোটা এলাকায় দারুণ কৌতূহল ও হাসির রোল উঠেছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন