Saturday, 17 October, 2026
17 October
HomeকলকাতাDurga Puja: পুজোতে চুটিয়ে খাচ্ছে 'অসেচেতন' বাঙালী, তারপরই ডাক্তারের চেম্বার! পুজোর শহর...

Durga Puja: পুজোতে চুটিয়ে খাচ্ছে ‘অসেচেতন’ বাঙালী, তারপরই ডাক্তারের চেম্বার! পুজোর শহর জুড়ে বিভিন্ন রেস্তরাঁয় হানা; ফেলে দেওয়া হচ্ছে পচা বাসি খাবার

পার্ক স্ট্রিট ও মিডলটন স্ট্রিট সংলগ্ন এলাকায় মোট ২৭টি খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁয় তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৪০টি খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

কলকাতা প্রতিনিধি:


দেবী দুর্গার আরাধনায় মেতে ওঠা তিলোত্তমার রাজপথে উপচে পড়া ভিড়ের মাঝে পথচলতি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে আসরে নামল রাজ্য সরকারের খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। ষষ্ঠীর দিনে পার্ক স্ট্রিট, রাসেল স্ট্রিট, মিডলটন স্ট্রিট এবং দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্ক সহ শহরের বিভিন্ন নামী রেস্তোরাঁ ও ফুড স্টলে অভিযান চালাল ‘মোবাইল ফুড সেফটি অন হুইলস’ টিম। রাস্তার ধারের রোল, চাউমিন, মোমো, বিরিয়ানি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদের নমুনা সংগ্রহ করে ঘটনাস্থলেই তা পরীক্ষা করা হয়। এই আকস্মিক অভিযানে একাধিক দোকানে মিলল খারাপ পনির ও মেয়াদোত্তীর্ণ গ্রেভি, যা সঙ্গে সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হাই কোর্টের নির্দেশ খারিজ! সন্দীপকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট; ক্ষুব্ধ নির্যাতিতার পরিবার

খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পার্ক স্ট্রিট ও মিডলটন স্ট্রিট সংলগ্ন এলাকায় মোট ২৭টি খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁয় তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৪০টি খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষার সময় পনিরের নমুনা মানসম্মত না পাওয়ায় প্রায় দু’কেজি পনির ঘটনাস্থলেই নষ্ট করা হয়। পাশাপাশি, বেশ কিছু রেস্তোরাঁয় মজুত করা ঝোলজাতীয় বা গ্রেভি জাতীয় খাবারের গায়ে কোনো উৎপাদন বা মেয়াদের ট্যাগ না থাকায়, প্রায় ২০ কেজি এমন সন্দেহজনক ও মেয়াদোত্তীর্ণ গ্রেভি ফেলে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  এক মুঠো চাল আর ঘটে গামছা! পশ্চিম বর্ধমানে নুন আনতে পান্তা ফুরোনো অভাবের সংসারে ১২ বছরের বালকের অদ্ভুত দুর্গা পুজো

তবে এই অভিযানের ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেছেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, গত এক মাস ধরে চলা লাগাতার সচেতনতা ও পরিদর্শনের ফলে শহরের বেশিরভাগ রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানে ছবিটা অনেকটাই বদলেছে। সিংহভাগ দোকানেই ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)-র বৈধ লাইসেন্স দৃশ্যমান স্থানে টাঙানো রয়েছে। প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে প্রয়োজনীয় লেবেল এবং এফএসএসআই-এর লোগোও স্পষ্ট। খোলা বা খুচরো মশলার পরিবর্তে অধিকাংশ জায়গায় এখন ব্র্যান্ডেড কোম্পানির মশলা ব্যবহার করা হচ্ছে। খাবার তৈরি ও পরিবেশনের ক্ষেত্রেও আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দপ্তর। তবে উৎসবের দিনগুলিতে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এই কড়া নজরদারি ও হানা অব্যাহত থাকবে এবং খাবারে সামান্য গন্ডগোল মিললেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন