Sunday, 8 November, 2026
8 November
HomeদেশCJP: ‘২০২৯ সালেই পতন ঘটবে মোদী সরকারের’; কোচিতে হুংকার অভিজিৎ দীপকের

CJP: ‘২০২৯ সালেই পতন ঘটবে মোদী সরকারের’; কোচিতে হুংকার অভিজিৎ দীপকের

কেন্দ্রের বর্তমান ক্ষমতার পালাবদলের জন্য দেশের আপামর জনসাধারণকে এখন থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আসন্ন ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের পতন একপ্রকার নিশ্চিত বলে দাবি করলেন কক্‌রোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijit Dipke)। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বর্তমান ক্ষমতার পালাবদলের জন্য দেশের আপামর জনসাধারণকে এখন থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘চিহ্নিত করো, নাম মোছো, দেশ থেকে তাড়াও’—নীতি স্পষ্ট করে দিল রণংদেহি অবস্থানে বিজেপি

১. কেরলের কোচিতে প্রতিবাদ সভা ও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ

শনিবার কেরলের বাণিজ্যিক শহর কোচিতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (জ্ঞানেশ কুমার)-এর পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এক বিশাল প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই ভবিষ্যদ্বাণী করেন সিজেপি নেতা।

  • নির্বাচনের মাধ্যমেই পরিবর্তনের ডাক: তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, কোনো বিশৃঙ্খলা বা অসাংবিধানিক উপায়ে নয়, একমাত্র গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই সরকারের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব।

  • জনতার রায়: কোচির ওই সভায় উপস্থিত আমজনতাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বারবার প্রশ্ন তোলেন, “২০২৯ সালে কি মোদী ক্ষমতা হারাবেন?” তাঁর এই আহ্বানে উপস্থিত প্রতিবাদী জনতা ও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উল্লাস ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।

২. জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও যুবসমাজ নিয়ে তোপ

  • সিইসি-র ইস্তফা দাবি: অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার পূর্বশর্ত হিসেবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেন দীপকে। তিনি হুংকার দিয়ে বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে যেতে হবে। উনি গেলে নরেন্দ্র মোদীও চলে যাবেন।”

  • সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অভিযোগ: প্রধানমন্ত্রীর কাছে জ্ঞানেশ কুমার কেন এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং তাঁর সুরক্ষায় সরকার কেন দেশের যুবসমাজের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন সিজেপি সুপ্রিমো।

৩. তেরঙ্গা তোলার জেরে গ্রেফতারি ও ব্রিটিশ শাসনের সঙ্গে তুলনা

বক্তব্যের এক পর্যায়ে দিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রবেশ করার অভিযোগে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকার সঙ্গে নিজের সাম্প্রতিক গ্রেফতারির প্রসঙ্গটি অত্যন্ত তীব্র ভাষায় তুলে ধরেন অভিজিৎ দীপকে:

  • ব্রিটিশ শাসনের সঙ্গে তুলনা: তেরঙ্গা জাতীয় পতাকা তোলার অপরাধে তাঁকে এবং তাঁর দুই সহযোদ্ধাকে যেভাবে জেলে পাঠানো হয়েছিল, তার তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন যে ভারতে শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল একমাত্র ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের আমলে। বর্তমান মোদী সরকারের সঙ্গে ব্রিটিশ আমলের প্রত্যক্ষ তুলনা টেনে তিনি মানুষের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা খর্ব করার গুরুতর অভিযোগ আনেন।

  • জাতীয় পতাকা হাতে প্রতিজ্ঞা: চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে দীপকে বলেন, “নরেন্দ্র মোদীকে বলতে চাই, দেশের প্রতিটি প্রান্তে আমি এই তেরঙ্গা নিয়ে যাব। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরল কিংবা তামিলনাড়ু—যেখান থেকে ইচ্ছা আমাকে গ্রেফতার করুন। কিন্তু আমি আবার ফিরে এসে এই জাতীয় পতাকা তুলব।”

আরও পড়ুনঃ ইথিওপিয়ার মালভূমিতে তাজ্জব কাণ্ড! পুরুষ ষাঁড় ও পুরুষ গাধার সমকামী সম্পর্ক; বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

৪. মৌলিক অধিকার ও এসআইআর নিয়ে কড়া সমালোচনা

কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা হরণের অভিযোগ তুলে দীপকের দাবি, সরকার ধীরে ধীরে দেশের নাগরিকদের খাদ্যাভ্যাস, বিবাহ ও ভালোবাসার স্বাধীনতা এবং পবিত্র ভোটদানের অধিকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়াকে আগামী দিনে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করার একটি সুপরিকল্পিত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন