দোল উৎসবের ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য পূর্ব রেলের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়। বাতাসে আবিরের সুগন্ধ আর দূরে ঢোলের ছন্দময় অনুরণন জানান দিচ্ছে বসন্তোৎসবের আগমনী। হাওড়া ও শিয়ালদহের ব্যস্ততম স্টেশনে এখন এক ভিন্ন সুর। হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের কাছে হোলি কেবল রঙের উৎসব নয়, আপন জনের সঙ্গে দেখা করারও এক সুবর্ণসুযোগ। হাওড়া ও শিয়ালদহগামী ট্রেনে একাধিক ব্যবস্থা নিল রেল।
আরও পড়ুনঃ দেশকে জিতিয়েও ‘শিলিগুড়িতে’ ফেল শিলিগুড়ির রিচা
পূর্ব রেল প্রধান স্টেশনগুলিতে বিশেষ ‘হোল্ডিং এরিয়া’ বা যাত্রী প্রতীক্ষালয় চালু করেছে। প্ল্যাটফর্ম নম্বর ঘোষিত হওয়ার আগে পর্যন্ত যাত্রীরা যাতে আরামে অপেক্ষা করতে পারেন, তার জন্য এই জায়গাগুলি ট্রানজিট স্যাঙ্কচুয়ারি হিসেবে কাজ করছে। থাকবে পানীয় জলের সুবন্দোবস্ত এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোবাইল মেডিক্যাস বুথের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
‘মে আই হেল্প ইউ’ বুথগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করার জন্য পদস্থ আধিকারিক ও সুপারভাইজারদের চব্বিশ ঘণ্টা শিফটে মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ করাচি জুড়ে জারি হাই অ্যালার্ট, সংঘাতের আঁচ পাকিস্তানেও
রেল কর্তৃপক্ষ কাউন্টারগুলিতে দীর্ঘ লাইন কমাতে ডিজিটাল পদ্ধতির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। যাত্রীদের M-UTS অ্যাপ ব্যবহার করে অসংরক্ষিত টিকিট কাটতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড এবং ঘনঘন সুস্পষ্ট ঘোষণার মাধ্যমে জনতাকে রিয়েল-টাইমে তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।
হাই-ডেফিনিশন সিসিটিভি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্টেশনের প্রতিটি কোণে কড়া নজর রাখা হচ্ছে। বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশগামী একঝাঁক ‘হোলি স্পেশাল ট্রেন’ চলবে।









