Sunday, 27 September, 2026
27 September
Homeআন্তর্জাতিক নিউজDonald Trump: আরও শক্তিশালী ইরান, যুদ্ধে ফেঁসে গেছেন ট্রাম্প

Donald Trump: আরও শক্তিশালী ইরান, যুদ্ধে ফেঁসে গেছেন ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন "শাঁখের করাত" বা এক কঠিন উভয়সংকটের মুখে পড়েছেন।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বাইরে সমালোচনার পাশাপাশি এবার ঘরেই ইরান যুদ্ধ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নীতির কঠোর সমালোচনা করছেন প্রাক্তন সিআইএ প্রধান তথা প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব লিয়ন পানেট্টা। যা প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।

কী বলেছেন এই প্রাক্তন CIA প্রধান  
লিয়ন পানেট্টা বলেছেন, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পিছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভুল রণকৌশল দায়ী। তাঁর মতে, এই সংঘাতের কোনও সহজ সমাধান নেই। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণভাবে ট্রাম্পের এই নীতি দায়ী।

আরও পড়ুনঃ “গালগাল খেয়ে ছাগল ঘাস খাওয়া বন্ধ করে দিতে পারে, তৃণমূল ঘুষ খাওয়া বন্ধ করবে না”, বললেন শতরূপ

হরমুজ নিয়ে আগেই খবর ছিল মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে 
ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধে যে বড় কিছু অঘটন ঘটতে পারে তা নিয়ে সতর্ক করেছেন পানেট্টা। তিনি বলেছেন, ইরান যেকোনও সময়ে যে হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে বিশ্বের তেল সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত করে দিতে পারে তা আগে থেকে থেকেই আমেরিকা জানত। কারণ এই রিপোর্ট মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছে অনেকদিন ধরেই ছিল। তাঁর মতে, ট্রাম্প প্রশাসন এই বিষয়টিকে চরমভাবে অবহেলা করেছে করেছে। “ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে হরমুজ প্রণালী যে আমেরিকার জন্য একটি বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়াবে, তা বোঝার জন্য রকেট সায়েন্স জানার প্রয়োজন নেই।” এমনই বলেছেন লিয়ন পানেট্টা।

আরও শক্তিশালী হয়েছে 
পানেট্টার দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন মনে করেছিল সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইরানকে দুর্বল করা যাবে, কিন্তু বাস্তবে ফল হয়েছে উল্টো। ইরানের শাসনব্যবস্থা এখন আরও সুসংহত এবং তেহরানের ক্ষমতায় এখন আরও কট্টরপন্থী নেতা (মোশতবা খামেনি) আসীন হয়েছেন। তিনি মনে করেন, ওয়াশিংটন ইরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার ক্ষমতাকে অবজ্ঞা করেছেন।

কী কারণে এই পরিস্থিতি হয়েছে আমেরিকার
প্রস্তুতির অভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পানেট্টার মতে, আমেরিকা হয় ভেবেছিল এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে, নয়তো তারা ইরানের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ভুল ধারণা করেছিল।

জনমতে ধস: যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহে এসে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে। রয়টার্স/ইপসোসের সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ৫৯ শতাংশ মার্কিনিদের ইরানে এই হামলার বিপক্ষে সায় দিয়েছে।

জ্বালানি সংকট: যুদ্ধের ফলে তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় সাধারণ মার্কিন নাগরিকরা প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ।

মিত্রহীন আমেরিকা: যুদ্ধের পরিকল্পনা করার সময় মিত্র দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা না করার জন্য ট্রাম্পকে কড়া সমালোচনা করেছেন পানেট্টা।

আরও পড়ুনঃ যুদ্ধের প্রভাব ছাদনাতলায়, বিয়ে হবে Online

বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প
প্রাক্তন এই গোয়েন্দা প্রধানের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন “শাঁখের করাত” বা এক কঠিন উভয়সংকটের মুখে পড়েছেন। যুদ্ধ থেকে সরে এলে তাকে পরাজয় হিসেবে দেখা হবে, আর যুদ্ধ বাড়াতে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে ইরানের সাম্প্রতিক হুমকিতে। তেহরান সতর্ক করে বলেছে, যদি ট্রাম্প আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালান, তবে ইরান তার প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর জ্বালানি ও জল সরবরাহ কেন্দ্রে পাল্টা আঘাত হানবে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন