Thursday, 24 September, 2026
24 September
HomeকলকাতাSuvendu Adhikari: বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা...

Suvendu Adhikari: বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

রিলায়েন্স গোষ্ঠী রাজ্যে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি ভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কলকাতায় আসতে পারে।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

বিশেষ সংবাদ প্রতিনিধি, কলকাতা:

ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্যে শিল্পের খরা কাটিয়ে নতুন বিনিয়োগ আনাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স গোষ্ঠীসহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বুধবার মিলনমেলা প্রাঙ্গণে শিল্পের জন্য জমি বণ্টন সংক্রান্ত এক সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এ কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুনঃ  ‘ভাতা নয়, আত্মনির্ভর বাংলা গঠনই লক্ষ্য’; মিলনমেলায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর মুখে বুদ্ধবাবুর কথা

তিনি জানান, রিলায়েন্স গোষ্ঠী রাজ্যে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি ভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কলকাতায় আসতে পারে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুম্বাই সফরে গিয়ে শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যা নিয়ে শিল্পমহলে জোর চর্চা শুরু হয়।

কর্মসংস্থান ও শিল্পাঞ্চল গঠনের পরিকল্পনা

অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, তাঁর সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য কেবল খাতায়-কলমে বিনিয়োগ আনা নয়, বরং সেই বিনিয়োগের মাধ্যমে বাস্তবে কত মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে, তা সুনিশ্চিত করা।

বিষয় ও ক্ষেত্র সরকারের রূপরেখা ও সিদ্ধান্ত
নতুন শিল্পাঞ্চল সল্টলেক, অঙ্কুরহাটি, ফলতা, উলুবেড়িয়া, কল্যাণী, নৈহাটি, খড়গপুর, পানাগড়, রঘুনাথপুর এবং কোচবিহারে সমন্বিত শিল্পাঞ্চল বা ইন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নতুন শিল্পনীতি বিনিয়োগ সহজতর করতে রাজ্য সরকার খুব শীঘ্রই এক পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক শিল্পনীতি প্রকাশ করতে চলেছে।
তোলাবাজি প্রতিরোধ শিল্পবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে কোনো রকম হুমকি বা তোলাবাজির অভিযোগ উঠলে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হবে। অভিযোগ জানানোর জন্য ইতিমধ্যে একটি টোল-ফ্রি নম্বর চালু করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘ইন্ডিয়া’র ইলিশ খাব না! ভারত থেকে রুপোলি শস্য আমদানি নিষিদ্ধ করল বাংলাদেশ সরকার

শিল্পায়নের সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি

রাজ্যে শিল্পায়নের পরিবেশ তৈরি করতে গিয়ে অতীত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে শিল্পবান্ধব মানসিকতা সবচেয়ে জরুরি। বিনিয়োগকারীদের সব রকমের অবকাঠামোগত সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি স্বচ্ছতা বজায় রেখে জমি বণ্টনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করছে রাজ্য প্রশাসন।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন