Monday, 6 April, 2026
6 April
HomeকলকাতাSuchitra Sen: 'শিল্পী' তুমি যে আমার, আজ বরেণ্য শিল্পী সুচিত্রা সেনের জন্মদিনে...

Suchitra Sen: ‘শিল্পী’ তুমি যে আমার, আজ বরেণ্য শিল্পী সুচিত্রা সেনের জন্মদিনে বঙ্গবার্তার শ্রদ্ধাঞ্জলি; আলোকচিত্রশিল্পী রামানন্দ সেনগুপ্তর স্মৃতিতে সুচিত্রা সেন

শুটিং-এর সময় বাইরের লোক থাকা সুচিত্রা সেন পছন্দ করতেন না।

অনেক কম খরচে ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, ব্যানার ডিজাইনিং, ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং মার্কেটিং এর সমস্ত রকম সার্ভিস পান আমাদের থেকে। আমাদের (বঙ্গবার্তার) উদ্যোগ - BB Tech Support. যোগাযোগ - +91 9836137343.

আমার মায়ের খুড়তুতো বোনের মেয়ে বুড়িদি। তাঁর স্বামী আদিনাথ সেন এবং তাঁর ছেলে দিবানাথ। দিবানাথ সুচিত্রার স্বামী।সেই সম্পর্কে আমি হলাম তুতু অর্থাৎ দিবানাথের মামা ও সুচিত্রার মামাশ্বশুর।

আরও পড়ুনঃ এক শতাব্দীর মহাকাব্য! পদ্মশ্রী কিংবদন্তি আলোকস্তম্ভ ডাঃ মণি ছেত্রীর জীবনাবসান; বয়স হয়েছিল ১০৬

সুশীল মজুমদারের পরিচালনায় ‘শুভরাত্রি’ (মুক্তি:1956) ছবিতে আমি ক্যামেরাম্যান ছিলাম।নায়ক ছিলেন বসন্ত চৌধুরী নায়িকা সুচিত্রা সেন।এই ছবির শুটিং হয়েছিল টেকনিশিয়ানস স্টুডিয়োতে।অনেকদিন পর সুচিত্রা সেন ‘শিল্পী’ ছবির কাজ টেকনিসিয়ানস স্টুডিয়োতে নিয়ে আসলেন, আমাকে ক্যামেরাম্যান হিসেবে পাবেন বলে। আমার ধারণা ‘শুভরাত্রি’ ছবিতে সুচিত্রা সেনের ছবি ভালো এসেছিল। যে কোন দিক থেকেই তাঁর ছবি সুন্দর আসত।তাঁর চোখের অভিব্যক্তিও ছিল অসাধারণ।

সরোজ দে, পার্বতী দে, নিশীথ ব্যানার্জী অগ্রগামী নাম নিয়ে ছবি শুরু করলেন; এঁরা আগে ছিলেন অগ্রদূত গোষ্ঠীর সহকারী।এঁদের দ্বিতীয় ছবি ‘শিল্পী’। এই ছবির শুটিং-এর সময় একদিন সুচিত্রা সেন আমাকে জিজ্ঞেস করলেন,”আপনি নাকি এই ছবিতে কাজ করার জন্য কোন টাকা নেন না? আমিতো আপনার মতো ক্যামেরাম্যান পাব বলেই এই ছবির কাজ টেকনিসিয়ানস স্টুডিয়োতে নিয়ে এলাম।” আসলে উনি কালুবাবুর (সরোজ দে) কাছে শুনেছিলেন যে, আমি কোন পারিশ্রমিক নিইনা। আমি সুচিত্রা সেনকে বললাম,”আমি যেহেতু টেকনিশিয়ানস স্টুডিয়োর পরিচালকমন্ডলীর একজন, তাই আমি ছবিতে কাজের জন্য কোন পারিশ্রমিক নিতে পারিনা।এটাই বোর্ড অফ ডাইরেক্টর্স ঠিক করেছেন।” উনি আমার কথা শুনে বিস্মিত হলেন এবং কালুবাবুকে  ( সরোজ দে) ডেকে বললেন,”কালু শোন, এই ছবির খরচ উঠে গেলে রামবাবুকে তাঁর পারিশ্রমিক দিতে হবে। এখনতো তোমায় কোন টাকা দিতে হচ্ছেনা। ছবির টাকা উঠে গেলে কিছু বেশিই দেবে রামবাবুকে।”  কালুবাবু সুচিত্রা সেনের এই কথা তখন মেনে নিলেন, যদিও পরে আমি “শিল্পী” ছবির জন্য কোন পারিশ্রমিক পাইনি। কিন্তু এই ছবি থেকেই অগ্রগামীগোষ্ঠীর সঙ্গে আমার খুবই বন্ধুত্ব হয়ে গেল।

আরও পড়ুনঃ গোটা চল্লিশেক আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ভোট বঙ্গে তুঙ্গে সাট্টা বাজার; বড় বড় টাকার বাজি

শুটিং-এর সময় বাইরের লোক থাকা সুচিত্রা সেন পছন্দ করতেন না।অভিনয়ের পাশাপাশি আরো কয়েকটি গুণ ওঁর ছিল। উনি ভালো ছবি আঁকতেন, ভালো গান গাইতেন এবং ভালো নাচতেন। মাঝে মাঝেই উনি আমার সঙ্গে পূর্ববঙ্গের ভাষায় কথা বলতেন। ওনার বাড়ি ছিল পাবনাতে।

উত্তম-সুচিত্রার জুটির মধ্যে একটা আলাদা রসায়ন, ছন্দ ছিল। সে কারণে দুজনেরই অভিনয় পৌঁছে যেত এক অন্য মাত্রায়।আবার উত্তম ছাড়াও যে তিনি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে ছবিকে সফল করতে পারেন তারও প্রমাণ দিয়েছেন অসিত (সেন)-এর ছবিতে।

এই মুহূর্তে

আরও পড়ুন