যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরই কংগ্রেসের মধ্যে থেকে সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি উঠেছে। ট্রাম্পের ঘোষণাকে ‘নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করে কংগ্রেসের তরফে পরবর্তী বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়।
‘ভারত-পাকিস্তান সংঘাত এমন এক ড্রোন যুগে প্রবেশ করছে—যেখানে এ ‘অদৃশ্য চোখ’ ও মনুষ্যবিহীন নির্ভুলতা উত্তেজনা বাড়াতে বা কমাতে পারে। তাই, দক্ষিণ এশিয়ার যে দেশ ড্রোন প্রযুক্তি ও কৌশলে এগিয়ে থাকবে, এ অঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আকাশে তারাই আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, দেশের এই অবস্থায় যখন কংগ্রেস–তৃণমূল–সহ তাবড় বিরোধীরা কেন্দ্রের পাশে দাঁড়িয়েছে, তখন নাগরিকদের এই উদ্যোগ কার বিরুদ্ধে? যুদ্ধ না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? কারণ যাঁরা এই শান্তি কর্মসূচি নিচ্ছেন তাঁরা পরিচিত মোদী–বিরোধী হিসেবে।
মোদী-ভ্যান্স ফোনালাপই ছিল পরিস্থিতি বদলের প্রধান মুহূর্ত। কারণ সেই সময় পর্যন্ত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগাযোগ হচ্ছিল না এবং পরিস্থিতি দ্রুত হাতের বাইরে চলে যাচ্ছিল।
বিদেশসচিব মিস্রী বলেন, “আমরা আশা করছি পাকিস্তান এই পরিস্থিতিকে সঠিক ভাবে অনুধাবন করবে এবং এই অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন বন্ধ করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। সেনা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে।
জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে প্রস্তুত রাখতে হবে। যে কোনও পরিস্থিতিতে তাদের কাজে লাগানো হতে পারে।