দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতাঃ
“ফিরিয়ে দাও আমাদের অধিকার, নচেৎ স্তব্ধ করে দেওয়া হবে দেশ” এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বড় কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে শ্রমিক নেতাদের তরফ থেকে। কী সেই মহাকর্মসূচি? শ্রমিক ও কৃষকরা এক হয়ে পথে নামবেন ‘ভারত স্তব্ধ‘ কর্মসূচি পালন করতে।
আরও পড়ুনঃ বিনামূল্যে খবরের কাগজ পড়াচ্ছেন শিলিগুড়ির এক বাসিন্দা
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখে রাস্তায় নেমে শ্রমিক ও কৃষকরা সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবেন।
জানা গিয়েছে, এতে অংশগ্রহণকারীরা হলো ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন এবং একাধিক সেক্টরাল ফেডারেশন। তবে এই কর্মসূচিকে মজবুত করতে নিঃশর্ত সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছে সংযুক্ত কিষান মোর্চার তরফ থেকেও।
আরও পড়ুনঃ গৃহযুদ্ধ মতুয়াদের! শান্তনুর মন্তব্যের বিরুদ্ধে ঠাকুরবাড়িতে মারপিট
সুতরাং সেদিন শহর ও শহরাঞ্চলে যে একাধিক পরিষেবা ব্যাহত হবে, তা বলাই বাহুল্য। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে প্রশ্ন থাকছে যে কী বা কী কী দাবিতে পথে নামবেন তাঁরা? মূলত চার দফা দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, শীঘ্র বাদ দিতে হবে শ্রমিক–বিরোধী চার লেবার কোড। দ্বিতীয়ত, প্রতিমাসের বেতন যাতে কম করে ২৬ হাজার টাকা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, বেসরকারিকরণ বন্ধ করতে হবে ব্যাংকিং, রেল ও প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের। চতুর্থ, যে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে, তা বন্ধ করতে হবে সমস্ত ক্ষেত্রে। তার পরিবর্তে চালু করতে হবে স্থায়ী কাজ ও পেনশন সুরক্ষা দেওয়া।
জানা গিয়েছে, এতে অংশগ্রহণকারীরা হলো ১০টি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন এবং একাধিক সেক্টরাল ফেডারেশন। তবে এই কর্মসূচিকে মজবুত করতে নিঃশর্ত সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছে সংযুক্ত কিষান মোর্চার তরফ থেকেও।
আরও পড়ুনঃ গৃহযুদ্ধ মতুয়াদের! শান্তনুর মন্তব্যের বিরুদ্ধে ঠাকুরবাড়িতে মারপিট
সুতরাং সেদিন শহর ও শহরাঞ্চলে যে একাধিক পরিষেবা ব্যাহত হবে, তা বলাই বাহুল্য। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে প্রশ্ন থাকছে যে কী বা কী কী দাবিতে পথে নামবেন তাঁরা? মূলত চার দফা দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, শীঘ্র বাদ দিতে হবে শ্রমিক–বিরোধী চার লেবার কোড। দ্বিতীয়ত, প্রতিমাসের বেতন যাতে কম করে ২৬ হাজার টাকা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, বেসরকারিকরণ বন্ধ করতে হবে ব্যাংকিং, রেল ও প্রতিরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের। চতুর্থ, যে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে, তা বন্ধ করতে হবে সমস্ত ক্ষেত্রে। তার পরিবর্তে চালু করতে হবে স্থায়ী কাজ ও পেনশন সুরক্ষা দেওয়া।







